পাগলীগঞ্জের বাসিন্দা প্রমীলা চক্রবর্তীর ক্যান্সার-যুদ্ধের লড়াই: হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় নতুন আশার গল্প।

দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার পাগলীগঞ্জের বাসিন্দা প্রমীলা চক্রবর্তীর জীবন এক সময় চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে যায়। পেটে ব্যথার সমস্যায় প্রথমে তাঁর গলব্লাডারে পাথর ধরা পড়ে। মালদায় অস্ত্রোপচারের পর কলকাতায় বায়োপসি রিপোর্টে ক্যান্সারের উপস্থিতি ধরা পড়লে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন তিনি ও তাঁর পরিবার।
পরিস্থিতির মোকাবিলায় পরিবারের সদস্যরা বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতির সন্ধান শুরু করেন। সেই সময় তাঁরা বালুরঘাটের বিশিষ্ট হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ডক্টর শান্তনু দাসের কাছে চিকিৎসার জন্য যান। প্রমীলা চক্রবর্তী জানান, পরবর্তী প্রায় এক বছর তিনি নিয়মিত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার আওতায় ছিলেন।
চিকিৎসাকালীন সময়ে তাঁর শারীরিক অবস্থার ধীরে ধীরে উন্নতি হতে শুরু করে বলে পরিবারের দাবি। বর্তমানে তিনি স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন এবং নিজেকে সুস্থ অনুভব করছেন বলে জানান। প্রমীলা চক্রবর্তী বলেন,
“ডক্টর শান্তনু দাসের চিকিৎসা ও মানসিক সাহস জোগানোর জন্য আমি আজ অনেকটাই সুস্থ। তাঁর প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।”
এই অভিজ্ঞতার মাধ্যমে প্রমীলা চক্রবর্তীর পরিবার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার প্রতি আস্থা প্রকাশ করেছে। যদিও চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, ক্যান্সারের মতো জটিল রোগে চিকিৎসা পদ্ধতি নির্বাচন অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ ও বৈজ্ঞানিক মূল্যায়নের ভিত্তিতে হওয়া উচিত।
তবে ব্যক্তিগত লড়াই ও মানসিক দৃঢ়তার এই গল্প স্থানীয় স্তরে অনেকের কাছেই অনুপ্রেরণার উদাহরণ হয়ে উঠেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *