আজ হস্ত চালিত তাঁত শিল্প ধ্বংসের মুখে, পুজোর মুখে হস্ত চালিত তাঁত শিল্পীরা কেমন রয়েছেন খোজ নিলাম আমরা।

নদীয়া, নিজস্ব সংবাদদাতা:-  নদীয়া জেলার শান্তিপুরের বিভিন্ন এলাকা তাঁত শিল্পের উপর নির্ভরশীল। কিন্তু আজ হস্ত চালিত তাঁত শিল্প ধ্বংসের মুখে। শান্তিপুর ফুলিয়া এছারাও শান্তিপুরের বিভিন্ন এলাকা দিয়ে জানাজায় একটা সময় প্রায় দেড় লক্ষ্য হস্ত চালিত তাঁত শিল্পে তৈরি হতো শাড়ি, বিগত কয়েক বছর ধরে শিল্পে পড়েছে ভাটা। এখন বর্তমানে বেশিরভাগ তাতঘরেই বন্ধ। মূলত শান্তিপুর ফুলিয়া তৈরি কাপড় পাড়ি দেয় দেশ ছাড়িয়ে বিদেশে। তাঁত শিল্পীদের দাবি জন্ত চালিত মেশিন আসার পরেই হস্ত চালিত তাঁত শিল্পের কদর কমেছে। একটা সময় এলাকায় ঘুম ভাঙতো তাঁতের খট খটানি আওয়াজে। পুজোর আগে মাওয়া খাওয়া ভুলে মহাজনদের চাহিদা মেটাতে হতো শাড়ির । কিন্তু ১২ মাসে তেরো পার্বণ হলেও তাঁতিরা বুঝতেই পারেন না যে পুজো এসে গেছে। হাতে গোনা আর কটা দিন বাকি পুজোর । নেই সেভাবে কাপড়ের চাহিদা তাই কাপড় প্রোডাকশনের দিকে তাঁতিদের নেই মহাজন দের চাপ। যদিও পাইকারি বিক্রি করা মহাজন দের দাবি বেচাকেনা রয়েছে তবে সেভাবে খুব একটা নেই। বিভিন্ন রকমের প্রতিবছরই কিছু না কিছু ডিজাইনের নতুনত্ব কাপড় তৈরি হলেও নেই সেরকম চাহিদা। হস্ত চালিত তাঁত শিল্পীদের দাবি সেভাবে মহাজনদের কাপড়ের চাহিদা না থাকায় বাড়েনি তাদের পারিশ্রমিক। এ বিষয়ে হস্ত চালিত তাঁত শিল্প কিভাবে ফিরিয়ে আনা যায় এ বিষয়ে তাঁত শিল্পীদের প্রশ্ন করলে তারা বলেন যন্ত্র চালিত মেশিনে কাপড়ের তৈরি করা বন্ধ না হলে আমাদের এই হস্ত চালিত তাঁত শিল্প টিকিয়ে রাখা যাবে না। বর্তমানে এই শিল্প ধ্বংসের মুখে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *