নদীয়া, নিজস্ব সংবাদদাতা:- আজও নিষ্ঠা ও পরম্পরার সঙ্গে শ্রাবণে শুক্ল পক্ষের অষ্টমী তিথি দিতে হয়ে আসছে কৃষ্ণনগর গোলাপট্টি বারোয়ারির মহিষমর্দিনী পুজো। আজ থেকে প্রায় ৩৫০ বছর আগেকার কথা, সেই সময় কৃষ্ণনগর গোলাপট্টি এলাকায় ব্যবসায়ীরা জলপথে জিনিসপত্র নিয়ে এসে ওই জায়গায় মজুদ করে রাখত। সেই থেকেই ওই জায়গার নাম হয় গোলাপট্টি। তবে হঠাৎ করেই আবির্ভাব হল জলদস্যুর। জলদস্যুর উৎপাতে নাজেহাল হল ব্যবসাদারেরা। জলদস্যুর অতর্কিত এসে হামলা করে জিনিসপত্র করত লুঠ। এরপরেই সেখানকারী স্থানীয় ব্যক্তিদের মধ্যে কেউ কেউ স্বপ্নাদেশ পান শ্রাবণের শুক্লপক্ষে অষ্টমী তিথিতে দেবী মহিষমর্দিনীর পুজো করার। এরপরই শুরু করা হয় এই পুজো।
সাধারণত দুর্গা পূজোর থেকে তিথি অনুযায়ী একদিন পিছিয়ে করা হয় এই পুজো। অষ্টমী তিথিতে করা হয় মায়ের সপ্তমীর পুজো, নবমী তিথিতে করা হয় অষ্টমীর, দশমী তিথিতে করা হয় নবমীর পুজো এবং একাদশীতে করা হয় দেবীর দশমীর পুজো। সেই থেকে আজও পরম্পরা ও নিষ্ঠার সঙ্গে এই পুজো হয়ে আসছে গোলাপট্টি বারোয়ারিতে। ৪৩ বছর ধরে এই মহিষমর্দিনী মায়ের বংশ পরম্পরায় পুজো করে আসছেন মন্দিরের প্রধান পুরোহিত বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী। তিনি জানান, “অতীতে অনেক ধুমধাম করে দেবীর পূজা করা হলেও বর্তমানে অর্থের অভাবে কিছুটা হলেও তা ভাটা পড়েছে, কিন্তু শত বাধা ভিডিও প্রত্যেক বছর এই পুজো হয়ে আসছে প্রায় ৩০০ বছরেরও অধিক সময় ধরে”।












Leave a Reply