রাগিং এর অভিযোগে উঠলো নদিয়ার এক স্কুলে।

নদীয়া, নিজস্ব সংবাদদাতা:- আবার রাগিং এর অভিযোগে উঠলো এই বার স্কুলে।উত্তপ্ত পরিবেশ স্কুল। অভিযোগ র‍্যাগিং এর কথা মুখে আনলে বন্দুক দেখিয়ে প্রাণে মারার হুমকি দেওয়া হয়এক ছাত্র কে।সে যখন বাথরুমে যাচ্ছিল সেই সময় এক যুবক মুখে কাপড় জড়িয়ে ওই ছাত্র কে ভয় দেখায়। এই ঘটনা ভয় পেয়ে সে শিক্ষক রুমে এসে জানাই। এই ঘটনা তদন্ত শুরু হয়েছে। পাশাপাশি এই স্কুলের মধ্যেই অভিভাবকদের বিক্ষোভ দেখায়। এই ঘটনায় পাঁচ ছাত্রকে বহিষ্কার স্কুল কর্তৃপক্ষের। ঘটনাটি ঘটেছে নদীয়ার কৃষ্ণনগর কলেজিয়েট স্কুলের। জানা যায় নদীয়ার কৃষ্ণনগর কলেজিয়েট স্কুলে। স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে,প্রতিবছরের মতোই শিক্ষক দিবসের দিন বিভিন্ন অনুষ্ঠান চলছিল সেই সঙ্গে অনুষ্ঠানে রাখা হয়েছিল সিনিয়র ছাত্ররা জুনিয়র ছাত্রদের ক্লাস নেওয়ার। অভিযোগ সেখানেই জুনিয়র ছাত্রদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে সিনিয়র ছাত্ররা। গালিগালাজ করা হয় এবং সিগারেট খেতে বলা হয় সিনিয়র ছাত্রদের তরফে। দুদিন স্কুল বন্ধ থাকার কারণে বিষয়টি ধাপাচাপা পড়ে যায়। এরপর এই গোটা বিষয়টি অভিভাবকদের জানাই জুনিয়ার ছাত্ররা। অভিভাবকদের তরফ থেকে গতকাল স্কুলে গিয়ে বিক্ষোভ দেখানো হয়। এরপরই স্কুল কর্তৃপক্ষ একটি কমিটি গঠন করে এবং একটি মিটিং এর আয়োজন করে। সেই মিটিং যেসব ছাত্রদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল সেই সব ছাত্র এবং অভিভাবকদের ডেকে পাঠানো হয়। কিন্তু জানা যায় ওই মিটিংয়ে অভিযুক্ত দুই ছাত্র এবং তার অভিভাবকরা উপস্থিত থাকলেও বাকিরা অনুপস্থিত ছিল। এরপরেই স্কুলের তরফ থেকে পাঁচজনকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এ বিষয়ে গতকাল রাতে কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় স্কুলের তরফ থেকে। অন্যদিকে যে পাঁচ জনের বিরুদ্ধে র‍্যাগিং করার অভিযোগ ওঠে সেই পাঁচ জনের নামের তালিকা স্কুলের তরফ থেকে টাঙিয়ে দেওয়া হয়। উল্লেখ্য যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেগিং এর ঘটনায় এখনো উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে রাজ্য রাজনীতি। তার নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগরে কলেজিয়েট স্কুলের এই ঘটনা আবারও নতুন করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করল। এ বিষয়ে কলেজের স্কুলের প্রধান শিক্ষক মনোরঞ্জন বিশ্বাস বলেন, ইতিমধ্যেই পুরো বিষয়টি নিয়ে কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানাকে জানানো হয়েছে। কে ছাত্রকে হঠাৎ করে রিভল বার বের করিয়ে কোন জুনিয়র ছাত্রকে হুমকি দেখানোর অভিযোগ উঠেছিল। সে বিষয়ে লিখিতভাবে পুলিশকে জানানো হয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করছে পুলিশ।অন্যদিকে অভিভাবকরা চাইছেন যারা এই ঘটনায় অভিযুক্ত তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করুক প্রশাসন এবং স্কুল কর্তৃপক্ষ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *