আবদুল হাই,বাঁকুড়া: – ক্যালেন্ডার ধরে যেকোনও তারিখ বলে দিলেই সেই দিনের বার বলে দিতে পারে বাঁকুড়ার এই ক্ষুদে। ঝড় ঝড় করে বলে দিচ্ছে বার, তারিখ সব কিছু। ভুল হচ্ছেনা একবারও। আপনি পারবেন? না পারাটাই স্বাভাবিক। বাঁকুড়ার দীপায়ন পাত্র সেন্ট মাইকেলস স্কুলের প্রথম শ্রেণীর ছাত্র। এত ছোট বয়সেই কিভাবে তৈরী হল ক্ষুরধার স্মৃতিশক্তি? দীপায়ন এর মা তপতী পাত্র জানান যে ঠিক কিভাবে এই কাজ করতে পারছে দীপায়ন সেটা তিনি নিজেও জানেন না। তবে ক্যালেন্ডারের প্রতি একটা আলাদা টান রয়েছে দীপায়ন এর। ক্যালেন্ডার দেখে দেখে নিজেই প্রায় রপ্ত করে ফেলেছেন ২০২১- ২০২৩ সাল পর্যন্ত। ধরে ধরে বলে দিতে পারেন দিন এবং বার।
বাঁকুড়ার খুদে এই চঞ্চল ছেলে পড়াশোনাতেও তুখড়। ক্যালেন্ডার এর তারিখ ধরে ধরে দিন বা বার বলা ছাড়াও, অমাবস্যা কিংবা পূর্ণিমা। যেকোনো পুজো অর্থাৎ সরস্বতী পুজো, দুর্গা পুজো, লক্ষ্মীপূজো এবং কালীপুজো প্রত্যেকটি পুজোর বার এবং তারিখ বলে দিতে পারে এই ছেলেটি। নিজের মত সময় করে ক্যালেন্ডার দেখার ঝোঁকই তাকে এই অভাবনীয় স্মৃতি শক্তি বানাতে সাহায্য করেছে।
স্বাভাবিকভাবেই বাঁকুড়ার ক্ষুদের পরিবারের লোকজন অত্যন্ত খুশি এই আকস্মিক সাফল্যে। দীপায়নকে ঘিরে তারা এখন নানা ধরনের স্বপ্ন বুনতে শুরু করেছেন। ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস অথবা যেকোনো রেকর্ড বুকে নাম তোলার চলছে কথা। এখনও পর্যন্ত তিনটে সাল রপ্ত করেছে দীপায়ন। ধীরে ধীরে আরও বাড়বে তার পরিসর।
বাঁকুড়ায় বাচ্চাদের স্মৃতি শক্তি সংক্রান্ত খবর বার উঠে এসেছে সংবাদ মাধ্যমে। তবে প্রথম শ্রেণীর ছোট্ট দীপায়ন এর এই ক্ষমতা একেবারে অন্যরকম। পরিবারের কোনোও সাহায্য ছাড়াই সম্পূর্ণ নিজের জানার আকাঙ্ক্ষা থেকেই ক্যালেন্ডার রপ্ত করেছে সে। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা দীপায়নের এগিয়ে যাওয়ার।












Leave a Reply