ভাগীরথী তীরে ধারালো এবং আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে নিয়ে কৃষকের জমি থেকে মাটিকাটা নিয়ে আতঙ্ক, অভিযোগ পুলিশি নিষ্ক্রিয়তায় শাসকদলের তৃণমূলের বিরুদ্ধে।

নদীয়া, নিজস্ব সংবাদদাতা:-  দীর্ঘদিন আবেদন নিবেদনের ধরনা আন্দোলন ফলে যদিও বা গঙ্গা ভাঙ্গন রোধে বাধাই এর কাজ কিছুটা শুরু হয়েছে কিন্তু দুষ্কৃতীদের তান্ডবে অপরপ্রান্ত থেকে রাতের অন্ধকারে কখনো প্রকাশ্য দিবালোকে কেটে নেওয়া হচ্ছে কৃষকের চাষের জমির মাটি যার ফলে আবারো বন্যার সম্ভাবনা।
অভিযোগ তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানের পরিবারের বিরুদ্ধে।
ঘটনাটি নদীয়ার শান্তিপুর হরিপুর পঞ্চায়েতের চৌধুরী পাড়ার। এলাকাবাসীদের অভিযোগ আজ ভোট তিনটা থেকে ট্রলারে করে মাটি কেটে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তাদের সন্তান সহ চাষের জমি থাকে। এ ব্যাপারে সকলে একত্রিত প্রতিবাদ জানালেও তাদের হাতে আগ্নেয় অস্ত্র সহ লাঠি সোটা এবং মূলত শাসক দলের সমর্থন থাকার কারণে রুখে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

অভিযোগ মাটি কাটতে বাধা দিতে গেলে আগ্নেয়াস্ত্র লাঠি সোটা নিয়ে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে প্রধান এবং তার পরিবার সদস্য ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্কিত এলাকাবাসী। এমনকি কৃষকরা জানাচ্ছেন তাদের দীর্ঘদিনের পারিবারিক জমি গঙ্গা ভাঙনের কবলে চলে যাওয়ার পর তারা চড়ে চাষাবাদ করে খাচ্ছেন কিন্তু সেই জমিও এভাবে কেটে নেওয়া হয় তারা উপার্জন বিহীন হয়ে পড়ছেন। তবে এ বিষয়ে শান্তিপুর থানায় একাধিকবার লিখিত এবং মৌখিকভাবে বলা সত্ত্বেও শাসকের মততেই তারা কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না বলেই অভিমত এলাকার প্রবীণ নাগরিকদের।

তারা চাইছেন অতিসত্বর এই মাটিকাটা বন্ধ হোক। তবে কোনোভাবেই আস্থা নেই তৃণমূলের এই প্রধানের ওপর তাদের মতে রক্ষকই ভক্ষক। ভোট দিয়ে নিজেদের ঘরের ছেলে কে প্রধান বানানোর পর রক্ষকের ভূমিকায় থাকা প্রধানের এই ধরনের অন্যায় কাজকর্মের সঙ্গে লিপ্ত হওয়া নিয়ে স্তম্ভিত গোটা শান্তিপুরবাসী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *