মনিরুল হক, কোচবিহারঃ- লোকসভা ভোটে বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিক পরাজয়ের পরের দিন থেকে বিজেপিতে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে জেলা জুড়ে। শুধু তাই নয় জেলা জুড়ে প্রতিদিনই আক্রান্ত হচ্ছেন পদ্ম কর্মী সমর্থকরা। কোথাও ভাঙছে পার্টি অফিস, কোথাও বাড়ি। ভয়ে ঘর ছেড়েছেন কয়েকশো কর্মী। গত মঙ্গলবার দিল্লি থেকে বাড়িতে ফিরে গতকাল বিজেপির সদর দপ্তরে একটি বৈঠকে যোগ দিতে আসেন তিনি। তারপর আজ সকাল থেকে কোচবিহারের বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় আক্রান্ত কর্মীদের সাথে ও বিজেপির দখলে থাকা গ্রাম পঞ্চায়েত গুলিতে যান নিশীথ প্রামাণিক। সেখানে গিয়ে দলের নেতা কর্মীদের সাথে কথা বলেন এবং গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে গিয়ে প্রধান ও পঞ্চায়েতদের সাথে দেখা করেন তিনি।
বিজেপি সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে নিশীথ প্রামাণিক কোচবিহার উত্তর বিধানসভার ঢাংঢিংগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় যান। সেখানে কর্মীদের সাথে কথা বলেন এবং গ্রাম পঞ্চায়েতে গিয়ে প্রধানের সাথে দেখা করেন। তারপরে সেখান থেকে গোপাল পুর গ্রাম পঞ্চায়েতে যান। সেখানে গিয়ে আক্রান্ত কর্মীদের সাথে দেখা করেন। সেখান থেকে বেরিয়ে বড়রাংরস গ্রাম পঞ্চায়েতে যান। সেখানে গিয়ে দলীয় নেতৃত্ব ও আক্রান্ত কর্মীদের সাথে কথা বলেন বলে জানা গিয়েছে।
এদিন এবিষয়ে নিশীথ প্রামাণিক জানান, আমরা বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েত গুলিতে গিয়েছি, যে গুলো আমাদের দখলে রয়েছে। সেখানে গিয়ে সাধারণ কর্মীদের সাথে কথা বলেছি। ওই এলাকা গুলিতে একটা সন্ত্রাসের বাতাবরণ তৈরি করার চেষ্টা করেছে তৃণমূল। আমাদের কর্মীরা তাদের রুখে দাঁড়িয়েছিল এবং আজ আমাদের সাথে কথা বলার পর তারা যেন আরও উৎজীবিত হয়েছে। আমরা নিশ্চিত ভাবে মাটি আঁকড়ে ধরে লড়াই করবো। সাধারণ মানুষের জন্য যেমন আওয়াজ তুলেছি, সেটা করবো। যদি কোথাও কোন কর্মী আক্রান্ত হয় বা নিপীড়িত হন। সেখানে সেখানে আমরা যাচ্ছি। কোথাও যদি কোন বিজেপি কর্মী আক্রান্ত হন বা কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে তাহলে একটা ইমারজেন্সি মোবাইল নম্বর দেওয়া হয়েছে। সেখানে যদি কেউ ফোন করে, তাহলে দ্রুত আমাদের প্রতিনিধিরা সেখানে ছুটে যাবে, প্রয়োজনে আমিও যাব। নিশ্চিত ভাবে তাদের সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করবো। সেই কারনে আজ জেলার বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা পরিদর্শন করলাম বলে জানান তিনি।
কর্মীদের দেখতে বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা পরিদর্শন করলেন নিশীথ প্রামাণিক।












Leave a Reply