পালিত হলো ঈদ-উল আযহা, মুসলিম সম্প্রদায়ের এই উত্‍সব বখরি ঈদ বা কুরবানির ঈদ নামে পরিচিত।

নিজস্ব সংবাদদাতা, মালদা,১৭ জুন :-  মালদা তে গোটা দেশের সাথে তাল মিলিয়ে মালদা জেলাতেও আজ সোমবার ১৭ জুন পালিত হলো ঈদ-উল আযহা। মুসলিম সম্প্রদায়ের এই উত্‍সব বখরি ঈদ বা কুরবানির ঈদ নামে পরিচিত। । মুসলিম ক্যালেন্ডারের জুল-হিজ্জাহ মাসের ১০ তারিখে পালিত হয় ঈদ-উল আযহা,
মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে এই দিনে আল্লাহের নামে ছাগল, ভেড়া বা উট কুরবানি দেওয়ার প্রথা প্রচলিত আছে।ঈদ-উল-আধায় কুরবানি দেওয়ার প্রথা ইতিহাসে হজরত ইব্রাহিমের সঙ্গে জড়িত।ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের প্রচলিত বিশ্বাস অনুসারে ইসলামের নবী হজরত ইব্রাহিমের কোনও সন্তান ছিল না। তিনি সর্বদা আল্লাহ তায়ালার কাছে সন্তানের জন্য প্রার্থনা করতেন। এর পর তাঁর পুত্র সন্তান হয়। তার নাম রাখেন ইসমাইল। নবী হজরত ইসমাইলকে খুব ভালবাসতেন। কখনো ছেলেকে চোখের আড়াল করতেন না। এইভাবে কয়েক বছর কেটে যায়।একদিন ইব্রাহিম স্বপ্ন দেখেন আল্লা তাঁর কাছে তার সব থেকে প্রিয় জিনিসটা চাইছেন। ইব্রাহিমের কাছে সবথেকে প্রিয় ছিল তাঁর ছেলে। তাই ছেলেকেই তিনি আল্লাহর কাছে উত্‍সর্গ করতে উদ্যোগী হন। ছেলেকে উত্‍সর্গ করার সময় ইব্রাহিম নিজেআসলে এর মধ্যে দিয়ে ইব্রাহিমের ধৈর্য ও বিশ্বাসের পরীক্ষা নিচ্ছিলেন আল্লাহ। এরপর থেকেই মুসলিম ধর্মে কোরবানি ঈদ বা বখরি ঈদ পালন করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *