জগন্নাথ মন্দির নিয়ে এক শুভেন্দু কি বলল না বলল তাতে আমার কিছু যায় আসে না, যতই যজ্ঞ করবেন ঘি পোড়াবেন ততই তার সর্বনাশ এগিয়ে আসবে বলে দাবি করেন তৃণমূল নেতা সুপ্রকাশ গিরি।

পূর্ব মেদিনীপুর-কাঁথি, নিজস্ব সংবাদদাতা :- তৃণমূলের এত খেয়ে দে য়ে পৃষ্ঠপৃষ্ঠ বলিষ্ঠ এতদিনে তিনি তৃণমূলে ছিলেন কেন, ? তৃণমূলের জন্যই তো তিনি প্রথম দিন থেকে এম এল এ, কাউন্সিলর, চেয়ারম্যান সবই হয়েছেন। কংগ্রেস করতেন কংগ্রেস তাকে কাউন্সিলর করেনি। দুবার হারার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দয়ায় এমএলএ হয়েছিলেন, তারপর তাকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া জিরো। শুক্রবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কাঁথিতে তৃণমূলের প্রতিবাদ সভায় সামিল হয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি শুভেন্দু অধিকারীকে কড়া ভাষায় আক্রমণ শানান কাঁথি সাংগঠনিক জেলা যুব তৃণমূল সভাপতি ও চেয়ারম্যান সুপ্রকাশ গিরি। তিনি জানিয়েছেন, শিশির বাবুও ২০০১ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিট নিয়ে এমএলএ হয়েছিলেন। তৃণমূল কংগ্রেস ছিল বলে শুভেন্দুকে সারা বাংলার মানুষ চিনেছে, না হলে শুভেন্দুবাবু গলির নেতা গলির নেতাতেই থাকতেন। কাঁথি শহরেও তৃণমূল কংগ্রেস এবং সমস্ত শাখা সংগঠন , কাঁথি শহর তৃণমূল কংগ্রেস এবং এক নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস এর যৌথ উদ্যোগে কেন্দ্র সরকারের জনস্বার্থ বিরোধী নীতি, মানুষের উপর কর চাপিয়ে দেওয়া, বোঝা চাপিয়ে দেওয়া এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আমরা সবাই রাস্তায় নেমেছি। এবং আগামী দিনে ওষুধের দাম বৃদ্ধি প্রত্যাহার না হলে বৃহত্তর আন্দোলন হবে এবং দিল্লী পর্যন্ত আমাদের আন্দোলনের জোয়ার পৌঁছে দেব।
যোগ্য করেই তার সর্বনাশের দিনটাকে বিনাশ করতে চাইছেন, তাহলে অবশ্যই যোগ্য করতে পারেন, যজ্ঞ করে বাংলার মানুষকে তিনি আটকাতে পারবেন না, জগন্নাথ মন্দিররে বাংলার মানুষ দর্শন করতে আসবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দশ বছর ধরে যেভাবে দীঘা কে এত সুন্দর ভাবে সাজিয়েছেন, দীঘায় প্রায় পঞ্চাশ শতাংশ পর্যটন বৃদ্ধি পেয়েছে। জগন্নাথ মন্দির নিয়ে এক শুভেন্দু কি বলল না বলল তাতে আমার কিছু যায় আসে না। যতই যজ্ঞা করবেন ঘি পোড়াবেন ততই তার সর্বনাশ এগিয়ে আসবে বলে দাবি করেন তৃণমূল নেতা সুপ্রকাশ গিরি। এদিনের সভায় উপস্থিত ছিলেন কাঁথি শহর তৃণমূল সভাপতি হরিসাধন দাস অধিকারী, কাঁথি পুরসভা উপ-পুরপ্রধান নিরঞ্জন মাইতি, জেলা পরিষদের সদস্য শেখ আনুয়ারউদ্দিন, কাউন্সিলর অতনু গিরি, রত্নদ্বীপ মান্না, মধুরিমা মন্ডল, স্নেহাশিস পাহাড়ি, রামগোবিন্দ দাস প্রমুখ। এদিন কাঁথি শহরের মেচেদা বাইপাস থেকে সভা শুরু হয়ে কাঁথি শহর পরিক্রমা করে পোস্ট অফিস মোড়ে এসে শেষ হয়। এরপরেই সেখানে প্রতিবাদ সভায় তৃণমূলের কয়েকশো কর্মী ও সমর্থকেরা সামিল হন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *