তিন বছরের ছোট্ট রিজওয়ান, যে বয়সে তার দৌড়ানোর কথা ছিল বৃষ্টিভেজা মাঠে, মায়ের কোলে লাফিয়ে পড়ার কথা ছিল আনন্দে, সেই বয়সেই সে আজ বিছানায় শুয়ে।

বারুইপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগণা একটা শিশুর কণ্ঠস্বর নেই—
তবু তার চোখ দুটো কথা বলছে।
বলছে:
“আমায় একটু শ্বাস নিতে দাও…”

তিন বছরের ছোট্ট রিজওয়ান।
যে বয়সে তার দৌড়ানোর কথা ছিল বৃষ্টিভেজা মাঠে,
মায়ের কোলে লাফিয়ে পড়ার কথা ছিল আনন্দে,
সেই বয়সেই সে আজ বিছানায় শুয়ে…
নিঃশ্বাস নিতে পারছে না।

তার রোগের নাম — Spinal Muscular Atrophy (SMA) Type-2।
এ এক ভয়ংকর দুরারোগ্য ব্যাধি।
শরীরের সমস্ত শক্তি ধীরে ধীরে হারিয়ে যায়।
হাঁটতে পারে না, বসতে পারে না, আর এখন নিঃশ্বাসও যেন আটকে যাচ্ছে…

মা কাশ্মীরার কান্না থামে না

“আমি আমার ছেলেকে কোলে নিই, কিন্তু সে নিঃশব্দ…
আমাকে ‘মা’ বলে ডাকে না, শুধু তাকিয়ে থাকে আমার দিকে।
তার চোখে একটা কথা — ‘আমায় বাঁচাও মা।’
আমি কিছুই করতে পারি না, শুধু কাঁদি।” — বললেন রিজওয়ানের মা কাশ্মীরা।

একজন মা— যিনি দশ মাস দশ দিন গর্ভে ধারণ করেছিলেন সন্তানের প্রাণ,
আজ সেই সন্তানকে বাঁচানোর জন্য হাত জোড় করে মানুষের কাছে কাঁদছেন।

বাবা আজিজুল সরদার লড়াই

বাবা আজিজুল একজন ফল বিক্রেতা।
দিনে একশো-দু’শো টাকা আয়, তা দিয়েই সংসার চালানোই কঠিন।
তারপর চিকিৎসার খরচ?
১৬ কোটি টাকা!

বিশ্বের সবচেয়ে দামি ইনজেকশন Zolgensma —
এই একটি ইনজেকশনেই রিজওয়ান সুস্থ হয়ে উঠতে পারে।
কিন্তু ইনজেকশনের আগে দরকার ৬ লক্ষ টাকার একটি ওষুধ (সিরাপ)।
ডাক্তার বলছেন, আগামী ১-২ সপ্তাহের মধ্যে না পেলে কিছুই করার থাকবে না।

শুধু একটা শ্বাস, শুধু একটা বাঁচার সুযোগ

রিজওয়ানের শরীর নিস্তেজ হয়ে আসছে।
দিন দিন তার বুকের ভেতরে শ্বাস আটকে যাচ্ছে।
মায়ের চোখে জল জমছে।
বাবার মুখে নীরবতা—
আর পাড়ার মানুষ তাকিয়ে থাকছে অপারগ হয়ে।

মানবতার ডাক

কাশ্মীরা আর আজিজুল কারো কাছেই লক্ষ টাকা চায়নি।
তারা শুধু বলেছে:

> “আপনি যদি ১০ টাকা পারেন, সেটাও অনেক।
যদি বাংলার ১০ লাখ মানুষ ১০ টাকা করে দেয় — একটা জীবন বাঁচবে।
আমার সন্তান বাঁচবে।
রেজওয়ান এর বাবার
যোগাযোগ: নাম্বার
8013857519

রিজওয়ানের জীবনের শেষ অধ্যায় যেন এখানেই শেষ না হয়।
আমরা চাই—
এই কষ্টের গল্প একদিন সুখের পরিণতি পাক।

আপনি কি পারবেন, একজন শিশুর কষ্ট ঘোচাতে?
একটা ছোট্ট প্রাণকে ফিরিয়ে দিতে?
আমরা সবাই মিলে পারি।
একটু চেষ্টা, একটু হৃদয় — একটা জীবন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *