রাস্তাশ্রী–পথশ্রী প্রকল্পে সীমান্ত এলাকার যোগাযোগে নতুন দিশাষ

বালুরঘাট-দক্ষিন দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা :- সীমান্ত এলাকার দীর্ঘদিনের যোগাযোগ সমস্যার সমাধানে নতুন উদ্যোগ নিল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদ। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের প্রকল্প রাস্তাশ্রী–পথশ্রী প্রকল্পের আওতায় বালুরঘাট ব্লকের গোপালবাটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় শুরু হল নতুন রাস্তা নির্মাণের কাজ। শুক্রবার দুপুরে ওই রাস্তার কাজের শুভ সূচনা করেন জেলা পরিষদের সদস্য অশোক কৃষ্ণ কুজুর।
জানা গেছে, প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ এই রাস্তাটি গোপালবাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের ঠাকুরপোড়া এলাকা থেকে কুমারগ্রাম সীমান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। এই প্রকল্পে আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা। পশ্চিমবঙ্গ কৃষি শিল্প নিগমের সহযোগিতায় রাস্তা নির্মাণের কাজ করা হচ্ছে বলে জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গিয়েছে।দীর্ঘদিন ধরেই এই রাস্তাটি বেহাল অবস্থায় পড়ে ছিল। বর্ষার সময় কাদা আর জল জমে যাতায়াত কার্যত বন্ধ হয়ে যেত। স্থানীয় বাসিন্দা, কৃষক, স্কুলপড়ুয়া ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে অসুস্থ রোগী নিয়ে হাসপাতালে পৌঁছনো, সব ক্ষেত্রেই চরম সমস্যার মুখে পড়তে হত এলাকাবাসীকে। স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য এবং পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যরা বারবার জেলা পরিষদের কাছে রাস্তা সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছিলেন।শুক্রবার শুভ সূচনা অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদ সদস্য অশোক কৃষ্ণ কুজুর বলেন, এই রাস্তার দুরবস্থার কথা আমাদের দীর্ঘদিন ধরে জানানো হচ্ছিল।এলাকাবাসীর সমস্যার কথা মাথায় রেখেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাস্তাশ্রী–পথশ্রী প্রকল্পের মাধ্যমে এই রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সীমান্ত এলাকার উন্নয়ন মানেই শুধু যোগাযোগ নয়, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের উন্নতিও এর সঙ্গে যুক্ত।এই প্রকল্পের মাধ্যমে এলাকার কৃষিপণ্য বাজারে পৌঁছনো যেমন সহজ হবে, তেমনই সীমান্তবর্তী গ্রামের সার্বিক উন্নয়নও ত্বরান্বিত হবে বলে আশাবাদী স্থানীয় বাসিন্দারা। জেলা পরিষদ সদস্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, প্রত্যন্ত ও সীমান্ত এলাকার উন্নয়নে রাজ্য সরকার যে গুরুত্ব দিচ্ছে, এই রাস্তা তারই একটি উদাহরণ।রাস্তা নির্মাণের কাজ দ্রুত শেষ হলে এলাকার মানুষ বহুদিনের ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাবেন বলেই মনে করছেন প্রশাসনিক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *