মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:—অবাক কান্ড মুখ্যমন্ত্রী বাংলা বাড়ি আবাস প্রকল্পে নাম রয়েছে কিন্তু অ্যাকাউন্ট নম্বর বদলে গিয়েছে। আপনাদের হয়তো মনে আছে ট্যাব কেলেঙ্কারির কথা ! অ্যাকাউন্ট নাম্বার বদলে টাকা প্রতারণা করা! এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল মুখ্যমন্ত্রীর বাংলার বাড়ি আবাসন প্রকল্প। অবাক হলেন! হ্যাঁ এবারে এই প্রকল্পেও নয়া এই জালিয়াতির চক্র সামনে এল মালদহে।
এই প্রকল্পের উপভোক্তাদের নাম রয়েছে কিন্তু বদলে ফেলা হয়েছে অ্যাকাউন্ট নাম্বার এবং আধার। প্রশাসনের দারস্থ উপভোক্তারা। এই ধরনের দুর্নীতি মানা হবে না দলের কড়া নির্দেশ রয়েছে। ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দাবি জেলা তৃণমূলের। তৃণমূলের সকল প্রতিনিধিরায় চোর পাল্টা কটাক্ষ বিজেপির।
মালদা জেলার ইংলিশ বাজার ব্লকের যদুপুর এক নম্বর ব্লকের ঘটনা। জানা গেছে সংশ্লিষ্ট গ্রাম পঞ্চায়েতের দক্ষিণ যদুপুর গ্রামের বাসিন্দা এম ডি তৌসিফ। তার অভিযোগ তার মা রুখসেনা বিবির নামে এই প্রকল্পের ঘর এসেছিল। কিন্তু দেখা যাচ্ছে আইডি নম্বার, তার মার নাম তার বাবার নাম সমস্ত কিছু ঠিক রয়েছে অথচ বদলে ফেলা হয়েছে ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট। অন্যান্য উপভোক্তাদের এই প্রকল্পের টাকা ঢোকার পর তারা যখন ব্যাংকে যান জানতে পারেন তাদের অ্যাকাউন্ট নাম্বার বদলে ফেলা হয়েছে। অন্য একাউন্টে এই প্রকল্পের এক লক্ষ কুড়ি হাজার টাকা ঢুকেছে। এরপরই বিষয়টি তারা লিখিত আকারে সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েত দপ্তর, মালদা জেলা প্রশাসন এবং ব্লক প্রশাসনকে জানান। এম ডি তৌসিফের আরও অভিযোগ, এরই মধ্যে জানুয়ারি মাসের ২৫ তারিখ তার মার মৃত্যু হয়। এই প্রকল্পের মাধ্যমে তাদের ঘরের অত্যন্ত প্রয়োজন রয়েছে। কারণ তিনিও ভিন রাজ্যে শ্রমিকের কাজ করেন তার বাবা আলিম শেখ তিনি লেবারের কাজ করেন। বাড়িতে তার তিন বোন রয়েছে। তাই প্রশাসনের কাছে তার আরজি বিষয়টি জানে অত্যান্ত গুরুত্বসহকারে দেখে দেখা হয়।
অন্যদিকে এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান নমিতা চৌধুরীর স্বামী দয়াল কৃষ্ণ চৌধুরী জানান, আমরা বিষয়টি জানতে পারার পর বিডিও সাহেব কে জানাই। বিডিও সাহেব সঙ্গে সঙ্গে যে অ্যাকাউন্টে টাকাটি ঢুকেছে সেই অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করে দিয়েছেন সেই সঙ্গে পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে ।
আধার ও ব্যাংক তথ্য বদলের অভিযোগে প্রশাসনের দ্বারস্থ পরিবার।।












Leave a Reply