নিজস্ব সংবাদদাতা, পূর্ব বর্ধমান:- সারা রাজ্য জুড়ে চলছে যুব সাথী প্রকল্পের ফর্ম তোলা ও জমা নেওয়ার কাজ। পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে জামালপুর ব্লক অফিসে এই কাজ চলছে। আজ সেখানে বেড়ুগ্রাম, জোতশ্রীরাম এবং জারগ্রাম এই তিনটি অঞ্চলের মানুষের ফর্ম দেওয়া ও জমা নেওয়া চলছে। আজ এই তিনটি অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ যুব সাথী ও ভূমিহীন কৃষকদের প্রকল্পের ফর্ম নিতে লাইন দেন। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছায় যে লাইন ব্লক অফিস ছাড়িয়ে মেন রাস্তায় পৌঁছে যায়। তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে সেখানে উপস্থিত হন তৃণমূলের ব্লক সভাপতি তথা পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধক্ষ মেহেমুদ খাঁন। আসেন বিডিও পার্থ সারথী দে। আগে থেকেই সেখানে উপস্থিত ছিলেন জামালপুর থানার পুলিশ। মেহেমুদ খাঁন নিজে রাস্তায় নেমে যান নিয়ন্ত্রণ করেন। ব্লকের ভিতরে আলাদা করে কাউন্টার খোলান। সেখানে দেখা যায় ভূমিহীন কৃষক ও যুব সাথী লাইনে উপচে পড়া ভিড়। মেহেমুদ খাঁন বলেন ভিড় হওয়াটা স্বাভাবিক কারণ মুখ্যমন্ত্রী যখন কোনো প্রকল্প ঘোষণা করেন বা কোনো প্রকল্পের সুবিধা দেন তিনি কোনো দল দেখেন না কোনো রং দেখেন না। তিনি বলেন এখানে এত ভিড় তার মধ্যে তৃণমূল, বিজেপি , সিপিএম, কংগ্রেসের লোক আছেন। সকলে লাইন দিয়ে ফর্ম তুলছেন ও জমা দিচ্ছেন। তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান এই প্রকল্প চালু করার জন্য। তিনি আজকে আগত তিনটি অঞ্চলের মানুষদের অযথা হুড়োহুড়ি করতে বারণ করেন। সকলকেই ফর্ম দেওয়া হবে। বিডিও পার্থ সারথী দে বলেন আজ একটু বেশী ভিড় হয়েছে। তাঁরাও প্রস্তুত আছেন কোনো অসুবিধা নাই। তিনি নিজে প্রতিটি ক্যাম্পে ঘুরে তত্ত্বাবধান করেন ও ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করেন। জামালপুর থানার পক্ষ যথেষ্ট পুলিশী ব্যবস্থা ছিল। বিরোধীরা যতই অপপ্রচার করুন না কেনো ভোটের আগে মাস্টার স্ট্রোক দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এটা সব মহল ই মেনে নিচ্ছেন।
ভিড় নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন-তৃণমূল একসঙ্গে, উপস্থিত বিডিও ও থানার পুলিশ।












Leave a Reply