মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:— মানিকচকের মথুরাপুর কাহার পাড়ায় হোলির রাতে গুলি চালনার ঘটনায় এক কিশোরের মৃত্যু এবং তার পাল্টা হিসেবে গণপিটুনিতে এক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় মোট চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের ধরতে জারি রয়েছে পুলিশি তদন্ত। যারা দোষী রয়েছে তাদের কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে-বৃহস্পতিবার কাহাড় পাড়ায় তদন্ত গিয়ে বললেন মালদা জেলা পুলিশ সুপার অভিজিৎ ব্যানার্জি। উল্লেখ্য, বুধবার হোলির রাতে মালদার মানিকচকের মথুরাপুর কাহাড় পাড়ায় এক ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটে। অল্প বয়সী ছেলেদের সামান্য বচসাকে কেন্দ্র করে, এলাকার রেশন ডিলার সমীর দাস গুপ্তের ১৭ বছরের ছেলে তার বাবার লাইসেন্স প্রাপ্ত বন্দুক থেকে ছড়রা গুলি চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। সেই গুলিতে জখম হয় ১০ বছরের বালক সম্রাট মাহারা, ১৪ বছরের কিশোরের সমর রজক, সমরের বাবা কালু রজক, মা নমিতা রজক সহ অরুণ মন্ডল নামে এক ব্যক্তি। ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা গুলিবিদ্ধ পাঁচজনকে উদ্ধার করে মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় গুলিবিদ্ধ কিশোর সমর রজকের মৃত্যু হয়। এই ঘটনার প্রতিবাদে উত্তেজিত জনতা মথুরাপুর কাহার পাড়ার’ রেশন ডিলার সমীর দাস গুপ্তের বাড়িতে হামলা চালিয়ে তার বাড়িতে ব্যাপক হারে ভাঙচুর করে এবং সমীর গুপ্তকে গণপিটুনি দেয় বলে অভিযোগ। যার জেরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই সমীর গুপ্তর মৃত্যু হয়। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার এলাকায় তদন্তে যান জেলা পুলিশ সুপার অভিজিৎ ব্যানার্জি। তিনি গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানান, মথুরাপুর কাহার পাড়ায় হোলির রাতে গুলি চালনার ঘটনায় এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। এরপর উত্তেজিত জনতার গণপিটুনিতে মৃত্যু, হয়েছে এক ব্যক্তির। দুটি ঘটনায় পুলিশ পৃথক পৃথক দুটি মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। ইতিমধ্যে দুটি ঘটনায় মোট চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের ধরতে জারি রয়েছে পুলিশি তদন্ত।
মালদায় হোলি ঘিরে সংঘর্ষ, কাহার পাড়ায় থমথমে পরিস্থিতি।












Leave a Reply