গঙ্গারামপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা :- স্বাস্থ্য, কৃষি ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় উন্নয়ন করতে চান গঙ্গারামপুর বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী গৌতম দাস।প্রচারে তিনি ভালই সাড়া পাচ্ছেন। ২০২৬-এর নির্বাচনে অভাবনীয়ভাবে সাধারণ মানুষের জনসমর্থন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি আস্থা এবং বিশ্বাস যেটা আমাদের ভীষণ আনন্দিত করছে এবং আমরা আপ্লুত যে সাধারণ মানুষ স্বতস্ফূর্তভাবে এবার একটাই কথা বলতে চায়, বিজেপির অত্যাচার রুখে দিতে হবে। এই গণতান্ত্রিক অধিকার যারা কেড়ে নিতে চায় তাদের বিরুদ্ধে আমাদের দাঁড়াতে হবে এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রত্যেকটা প্রকল্পের সুবিধা আমরা যেভাবে পেয়েছি এটাকে আরও সুরক্ষিত করতে হবে। তাই সকলে একত্রে এগিয়ে আসছে।
গৌতম দাস জানান,এই এলাকার মানুষ খুব ভালো করেই জানে যে উনি 11 থেকে 16 এর গল্প ছাড়া নতুন কোনো গল্প তার কাছে নেই। এবং তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন যে 11 থেকে 16 মমতা বন্দোপাধ্যায় যা উন্নয়ন করেছে সেটাই উন্নয়ন। তারপর তিনি কিছু করতে পারেননি। এটা আমি বলছিনা এটা ভারতীয় জনতা পার্টির যিনি প্রার্থী তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন। অতএব পাঁচ বছর তো তিনি এলাকার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগই রাখেননি। কাজ করা তো দূরের কথা। একজন জনপ্রতিনিধি হিসাবে যে দায়িত্ব পালন করার কথা ছিল সেই দায়িত্বটাও তিনি পালন করতে পারেননি।
গঙ্গারামপুর বিধানসভা নিয়ে আমাদের একাধিক ভাবনা আছে, আজকে আমাদের উন্নয়ন স্তম্ভ যে আমাদের প্রতিশ্রুতি সেটা আজকে আমরা ফলক উন্মোচন করব বা আমাদের জেলা কার্যালয়ের সামনে। আমরা পরিষ্কার বলেছি, লিখিতভাবে বলেছি যে আমরা গঙ্গারামপুর নিয়ে কি করতে চাই। লস্করের একটা স্বাস্থ্য কেন্দ্র আছে সেটাকে রেগুলার বেসে যাতে আউটডোর এবং সেখানে ডাক্তার থাকে তার কথা আমরা বলেছি। তপনের গঙ্গারামপুর বিধানসভার মধ্যে স্টেট জেনারেল হাসপাতাল করতে চাই। একইভাবে গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে যাতে নিউরো ওয়ার্ড আমরা তৈরি করতে পারি, আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছি কারণ আমরা জেলার কলকাতা থেকে অনেক দূরে, নিউরো ওয়ার্ড খুব দরকার কারণ রোড এক্সিডেন্ট বাড়ছে, হেড ইনজুরি বাড়ছে যার ফলে আমরা একটা নিউরো ওয়ার্ড চালু করতে চেয়েছি। একইভাবে গঙ্গারামপুর শহরকে যানজট মুক্ত করবার জন্য আমরা ফ্লাইওভার তৈরি করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছি।
নিউরো ওয়ার্ড, ফ্লাইওভার ও হাসপাতাল—গঙ্গারামপুরে একাধিক প্রতিশ্রুতি তৃণমূল প্রার্থীর।












Leave a Reply