আবদুল হাই, বাঁকুড়াঃ – আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার পর হিন্দুদের ঘরে ঘরে লক্ষ্মী পুজো, অথচ সমাজের এমন হাজার হাজার জীবন্ত লক্ষ্মী আছে যাদের দিন রাত কাটে অনন্ত অনিশ্চয়তার অন্ধকারে আর সেরকমই এক বধূ জীবন যন্ত্রণার কথা উঠে এলো আমাদের সাংবাদিক আব্দুল হাইয়ের ক্যামেরায়, , ওই বধূর নাম পূর্ণিমা বাগদি, বাড়ি বাঁকুড়া জেলার ইন্দাস ব্লকের গোবিন্দপুর এলাকায়, দু’বছর হল স্বামীকে হারিয়েছেন, বাড়িতে বিধবা শাশুড়ি, একাদশ শ্রেণীতে পাঠরত মেয়ে সুরমা বাগদি এবং ১২ বছরের এক পুত্র সন্তান। সম্পূর্ণ ভূমহীন পরিবারের একমাত্র উপার্জনকরি বিধবা বধু পূর্ণিমা। শাশুড়ি, ছেলেমেয়েদের দু’বেলা দু’মুঠো অন্ন তুলে দেওয়া এবং ছেলে মেয়েদের পড়াশোনার জন্যই তার লড়াই দিন রাত। পূর্ণিমার সারাদিনই প্রায়ই কাটে অন্যের খেতে খামারে তাই বাড়ির যাবতীয় কাজ করতে হয় একাদশ শ্রেণীতে পাঠরত মেয়ে সুরমাকেই, রান্না থেকে ঝাঁটপাট, নিজে এবং ভাই ও ঠাকুমাকে খেতে দেওয়া থেকে বাসনপত্র ধোওয়া সবই সামলাতে হয় তাকে। কাজের শেষে পূর্ণিমা বাড়ি ফিরে সেই বিকালে আর এভাবেই দাঁতে দাঁত চেপে চলেছে দিনের পর দিন লড়াই । নিয়তি তাকে করেছে সম্পূর্ণ অসহায় আর সেই অসহায় জীবনে পাশে নেই কেউই।
এক বধূ জীবন যন্ত্রণার কথা উঠে এলো আমাদের সাংবাদিক আব্দুল হাইয়ের ক্যামেরায়।












Leave a Reply