বেলদায় বিজেপির একটি কর্মসূচিতে যোগ দিতে এসে “রাজ্যে কি দমন্নীতি চালু হয়েছে”,এই প্রসঙ্গ নিয়ে ঠিক এভাবেই কটাক্ষ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- মুখ্যমন্ত্রী এবং ভাইপোর মধ্যে প্রতিযোগিতা হচ্ছে কে আগে জেলে যাবেন। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার
বেলদায় বিজেপির একটি কর্মসূচিতে যোগ দিতে এসে “রাজ্যে কি দমন্নীতি চালু হয়েছে”,এই প্রসঙ্গ নিয়ে ঠিক এভাবেই কটাক্ষ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এইদিনের কর্মসূচিতে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দিলীপ ঘোষ সহ একাধিক হেভি ওয়েট নেতাকর্মীরা, পাশাপাশি বাইশে জানুয়ারির প্রস্তুতি নিয়ে বলেন মুখ্য সচিবের কাছে রিপোর্ট তলব নিয়ে বলেন,২২ শে জানুয়ারি পাঁচশো বছরের লড়াইয়ের ফল আমরা স্বচক্ষে দেখতে পাবো। সেই সময় বাবরের সমর্থন কারীদের নিয়ে মিছিল করে দাঙ্গা বাধানোর চেষ্টা করছেন মূখ্যমন্ত্রী। তাতে যে কোনো সুববুদ্ধিসমপন্ন মানুষ চিন্তিত।রাজ্যপাল রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান সেই কারণে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছেন। শান্তি মিছিল করার হলে অন্যদিনে নয় কেনো প্রশ্ন সুকান্তর। শান্তি মিছিলে বিরোধ বাধলে হিন্দুরা একত্রিত হয়ে প্রতিরোধ করবে। অন্যদিকে রাজ্যে বিভিন্ন প্রান্তে ইডি হানা নিয়ে তিনি বলেন, চোরকে ধরতেই ঘুরে বেড়াচ্ছে ইডি। তথ্য প্রমান হলে তবেই গ্রেফতার হচ্ছে দোষ করলেই সাজা পাবে। অন্যদিকে ডিএ নিয়ে রাজ্য সরকারের কড়া মনোভাব প্রসঙ্গে বলেন, সমকাজে সমবেতন বলেছে সুপ্রিম কোর্ট । আপনার জেলার এসপি যেভাবে কেন্দ্রীয় হারে ডিএ পাচ্ছে তার অধস্থন পুলিশকর্মীরা তার থেকে কম হারে ডিএ পাচ্ছে হিংসে হওয়া তো স্বাভাবিক। কটাক্ষের সুর সুকান্তের গলায়। তবে আগামী ২২ শে জানুয়ারি কালীঘাটের রাম পুজোর আবেদনে মনজুর করেছে আদালত এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কালীঘাটে অনুমতি দিলেও যেখানে যেখানে সাধারণ মানুষ রাম পুজোর আবেদন করেছে সেই সব আবেদন খারিজ করেছে পুলিশ। রাজীব কুমার কে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই এমন হয়েছে। তাহলে এ রাজ্যে রাম পূজা করো কি অপরাধ প্রশ্ন সুকান্তর।
পাশাপাশি রাজ্যে জব কার্ড জব কার্ড দুর্নীতি প্রসঙ্গে হাইকোর্ট এর কমিটি গঠনের নির্দেশ প্রসঙ্গে বলেন, রাজ্য সরকার কমিটি গঠন করলে কোন লাভ হবে না। যখনই জব কার্ডের সঙ্গে আধার কার্ড যোগ করে দেওয়া হলো তখনই সব বাতিল হয়ে গেল। তার মানে এতদিন ভূতে টাকা খাচ্ছিল। এতদিন ধরে এটাকা যে তোলা হয়েছে সেগুলো কোথায় গেল তার জবাব দিতে হবে তৃণমূল সরকারকে। তারপরে না হয় নতুন টাকা চাইবে! অন্যদিকে পুরুলিয়ায় পাথর কেটে পাহাড় চুরি প্রসঙ্গে বলেন, পাথর তো দূরের কথা তৃণমূল লোকের বউ চুরি করে নিচ্ছে। এরা পাথর বউ বাথরুম সবই চুরি করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *