‘বিনে পয়সার শিক্ষক’ প্রভাত কুমার মণ্ডল এর মানবিক উদ্যগ।

আবদুল হাই, বাঁকুড়াঃ- career with charrector is hero, career without charrector is zero’ মনে করেন ‘বিনে পয়সার শিক্ষক’ প্রভাত কুমার মণ্ডল। পেশায় বেলিয়াতোড় যামিনী রায় কলেজের SACT প্রভাত কুম্ভকার সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে বড়জোড়ার জঙ্গল লাগোয়া ও হাতি প্রবণ বনশোল, কালপাইনি, শ্যামপুর, হরিশপুরের মতো প্রত্যন্ত গ্রাম গুলির ক্ষুদে পড়ুয়াদের শিক্ষাদানের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন। প্রথাগত শিক্ষার বাইরে পড়ুয়াদের ভালো মানুষ হতে ‘মূল্যবোধে’র শিক্ষার উপর তিনি বরাবর জোর দিয়ে এসেছেন, বলছেন ওই এলাকার মানুষই। বর্তমানে প্রভাত কুম্ভকারের ‘বিনে পয়সার পাঠশালা’য় ছাত্র ছাত্রীর সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়ে গেছে।

প্রভাত স্যারের এই উদ্যোগে খুশি সংশ্লিষ্ট ছাত্র ছাত্রী থেকে অভিভাবক প্রত্যেকেই। হাতি প্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত এই গ্রাম গুলিতে কোন শিক্ষকই পড়াতে আসছিলেননা। সেই অবস্থায় বিগত কয়েক বছর ধরে এই এলাকার চারটি গ্রামে ‘সম্পূর্ণ বিনামূল্যে’ শিক্ষাদান করে চলেছেন এই শিক্ষক। যা ব্যতিক্রমী বলেই অনেকে জানিয়েছেন।

শিক্ষক প্রভাত কুম্ভকার বলেন, এক দম প্রথম থেকেই ইচ্ছা ছিল নিজে যা শিখবো তা অন্যান্যদের বিলিয়ে দেবো। আর সেই উদ্দেশ্যেই রোদ জল ঝড় উপেক্ষা করেই এই শিক্ষাদানের প্রচেষ্টা। প্রথাগত শিক্ষার বাইরে মূলতঃ চরিত্র গঠনের উপরেই তিনি জোর দেন বলে জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *