রাজীব দত্ত, কলকাতা:- ২৮ জুন ২০২৬ বর্ণাশ্রম প্রকাশন সংস্থা-র উদ্যোগে কলকাতার মৌলালী যুবকেন্দ্রের স্বামী বিবেকানন্দ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হল এক মনোজ্ঞ গ্রন্থপ্রকাশ , সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। প্রকাশিত হলো প্রায় ৫০ এর অধিক বিভিন্ন বিষয়ের উপর গ্রন্থ। বর্ণাশ্রমের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক সাহিত্যিক ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায় ও জগন্মাতা কালীকার প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।
সম্পাদকের বক্তব্য ও উদ্বোধনী সঙ্গীত পরিবেশন করেন বর্ণাশ্রম প্রকাশন সংস্থা র বর্তমান সম্পাদক শুভজিত মুখোপাধ্যায়। সমবেত কণ্ঠে ‘বন্দেমাতরম’ সঙ্গীত পরিবেশন অনুষ্টানের এক আবেগঘন পরিবেশ এনে দেয়।
এদিনের অনুষ্ঠানে অতিথি আসন অলংকৃত করেন সুদূর অস্ট্রেলিয়া থেকে আগত আজীবন ভাষা সাহিত্য সংগ্রামী নির্মল পাল , প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক সিদ্ধার্থ সিংহ, বিশিষ্ট আইনজীবী, প্রাবন্ধিক ও আকাশবাণী কলকাতার সঙ্গে সুদীর্ঘ সম্পর্কে সম্পর্কিত সুপ্রকাশ বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রখ্যাত লেখক, কবি ও প্রাবন্ধিক বিভাস চৌধুরী,
প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও সমাজ চিন্তক, কলকাতার সিটি কলেজের উপাধ্যক্ষ ও হিউম্যান রাইটস্ অর্গানাইজেশনের পশ্চিমবঙ্গের সম্পাদক ড. মহীতোষ গায়েন এবং প্রখ্যাত কবি ও লেখিকা শুভ্রা দাস।
এদিনের গ্রন্থ প্রকাশ অনুষ্ঠানে যে গ্রন্থগুলি প্রকাশিত হয়েছে সেগুলি হল –
নির্মল পাল রচিত “Remedial Tools For Global Language Endangerment”,
আয়ন্তী শ্যাম রচিত “Adventure of Avaantika and Rukmini”,
মালতী ভট্টাচার্য মণ্ডল রচিত “ভ্রমনপথে মধ্যপ্রদেশে”,
ড. মনোরঞ্জন পড়ুয়া রচিত “ভারতের শিক্ষার ইতিহাস”,
ড. পলাশ সাঁই রচিত ২ টি বই যথা – “হয়তো আবার”, “সুচরিতা” ,
প্রভাস কুমার ঘোষ রচিত ৩ টি বই যথা – “গ্রাম্য স্মৃতি”, “জোয়ার ভাটা”,” ছন্দে গাঁথা গল্পকথা”,
প্রণব সরকার রচিত “তবলা তালিম ও শাস্ত্র”,
রিক্তা মণ্ডল রচিত “নিসর্গে প্রেম”,
শালিনী দাস রচিত “কল্পলোকে কৃষ্ণলীলা”,
ড.. মহীতোষ গায়েন, ড. দোয়েল দে, ড. সৌমিতা মিত্র সম্পাদিত “ইতিহাস-সাহিত্য-সমাজ ও সংস্কৃতি চর্চায় নারী: অলিন্দ থেকে উত্তরণ”,
“ড.. মহীতোষ গায়েন ও ড. নবনীতা সেন সম্পাদিত সুচিন্তা জার্নাল-৯”,
সোম সরকার রচিত “খাঁচায় বন্দী বাজপাখি”,
সুভাসচন্দ্র শীল রচিত “ছাত্রজীবন ও শিক্ষানুরাগ”,
সুমিত্রা মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত “গুরুদেব দয়া করো দীনজনে”
সিদ্ধার্থ সিংহ ও শর্মিলা পাল সম্পাদিত “১০০ কবির ২০০ কবিতা”,
বিভাস চৌধুরী রচিত “অল্প কথায় গল্পলেখা”
গৌতম মুখোপাধ্যায় রচিত “ভালোবাসার ফুলদানী
কাবেরী সিনহা রায় রচিত নন্দ পরিবারের কাহিনি”,
ড. মহীতোষ গায়েন রচিত “ভারতবর্ষের ইতিহাস : সুলতানী আমল (১২০৬—১৫২৬)”,
নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় রচিত ২ টি বই ভালোবাসার দুই প্রান্ত, ভাবনায় ভবিষ্যৎ
শঙ্কর ঘোষ রচিত “ধান সবুজের মাঠ”,
শিল্পা খামরই রচিত “অমরত্বের ঠিকানা”
শিপ্রা ঘোষ রচিত “হৃদয়ের রংমহল”,
সোনালী বসু দত্ত রচিত “সঙ্গীত ও শিক্ষা”
ড. সুদীপ্ত ব্যানার্জী রচিত “মিষ্টি মধুর”,
শুভ্রা দাস রচিত লজেন্সের রাজ্য
তপন মিশ্র রচিত ২ টি বই আলোচনায় “কলাভাবনা, দুই মলাটে দুই বিতর্ক “,
মৌসুমী ডিংগাল রচিত “সেকেন্ড হানিমুন” ,
ডাঃ মানবেন্দ্র রায় রচিত “শ্রদ্ধাঞ্জলী”,
সুপ্রকাশ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত “সমাজ দর্পণ প্রথম খণ্ড”,
অরূপ মজুমদার রচিত “ভক্তি ও ভালোবাসা”,
তাপসী নাহা দেব রচিত “কেন ভগবানকে ডাকবেন?”,
অগ্নিভ মুখার্জী রচিত ‘অসমান চতুর্ভূজ”,
দীপঙ্কর সরকার রচিত ২ টি বই “পঞ্চাশের দশক “ও “পরবর্তী বাংলা ছোটগল্প : অন্তরঙ্গ পাঠ বিশ্লেষণ, বিংশ শতাব্দীর বাংলা উপন্যাস : নারীর সংগ্রাম ও স্বীকৃতি”,
কথাসাহিত্যিক সিদ্ধার্থ সিংহ রচিত “২৫ ভালোবাসার গল্প”,সব শেষে প্রকাশিত হয় বিশিষ্ট লেখিকা ও শিক্ষিকা
মৌসুমী দাস চাকলাদার রচিত ও ড. মহীতোষ গায়েন সম্পাদিত “রবি-জসীর নকশিকাঁথা”।
এদিনের কবিতাপাঠে ছিলেন শঙ্কর ঘোষ, জুলি লাহিড়ী, দিশা চট্টোপাধ্যায় । এছাড়া এদিনের অনুষ্ঠানে শিক্ষা ও সাহিত্য বিষয়ক আলোচনা ও সঙ্গীত পরিবেশিত হয়।
সামগ্রিক অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন অংশুমান চক্রবর্তী।
পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত প্রায় দুই শতাধিক কবি, সাহিত্যিক,গবেষক ও অধ্যাপকদের উজ্জ্বল উপস্থিতি এদিনের অনুষ্ঠানকে এক ভিন্ন মাত্রা ও উৎকর্ষতার উচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে দেয়।












Leave a Reply