জিপ সাফারির পাশাপাশি হাতি সাফারি চালুর দাবি, চিলাপাতায় সরব পর্যটন ব্যবসায়ী ও পর্যটকরা।।

আলিপুরদুয়ার, নিজস্ব সংবাদদাতা:-চিলাপাতা হাতি সাফারির জোরালো দাবি উঠছে। জঙ্গল সাফারির চলার পাশাপাশি হাতি সাফারির দাবি উঠছে চিলাপাতা জঙ্গলে। দীর্ঘ তিন বছর ধরে এই জঙ্গল সাফারির দাবি উঠে আসছে। তবে প্রাশাসন কোনো এই বিষয়ে কোনো হেলদোল দিচ্ছে না। জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের চিলাপাতা জঙ্গলে এই জঙ্গলে হাতি সাফারির দাবি উঠে আসছে বহুদিন ধরে। দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের তরফ থেকে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার আশ্বাস দেওয়া হলেও তা কেবল প্রতিশ্রুতিতেই আটকে রয়েছে বলে অভিযোগ। প্রশাসনের এই উদাসীনতায় ক্ষুব্ধ পর্যটন মহল। জিপ সাফারি চললেও পর্যটকরাও চান হাতি সাফারির করার, চিলাপাতা ঘন জঙ্গল এই জঙ্গল আলাদা একটু অনুভূতি যা ঘুরে দেখে মুগ্ধ সকলেই। জঙ্গলের ভিতরে প্রবেশ করতে মিলে গন্ডার, হাতি, হরিণ, ময়ূর সহ সব পশুপাখি দেখা মিলে। দেশ বিদেশের সব পর্যটকরা এসে যা দেখে খুশি মনোরম পরিবেশ পায়। চিলাপাতা জঙ্গলে হাতি সাফারি দাবি তুলছেন পর্যটন ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন পর্যটকরা। তাঁরা জানান যে চিলাপাতা কার জিসপি সাফারি হয়ে থাকে কিন্তু হাতি পিঠে বসে সাফারি করার অনুভূতি আলাদা একটা অভিজ্ঞতা। আর হাতির পিঠে বসে অনেক ভিতরে জঙ্গল যাওয়া যায়। অনেক কিছু অভিজ্ঞতা আর সবকিছু দেখা যায়। জানা যায় জলদাপাড়া শালকুমার গেট ও কোদালবস্তি ও মাদারিহাট থেকে হাতি সাফারি হয় চিলাপাতা জঙ্গলে জিপসি সাফারি করার জন্য প্রতিনিয়িত ভিড় থাকে। পাশাপাশি পর্যটকরা হাতি সাফারি দাবি তোলেন। বর্তমানে চিলাপাতা জঙ্গলে পর্যটকদের জন্য জিপ সাফারির ব্যবস্থা রয়েছে। তবে ঘুরতে আসা পর্যটক ও স্থানীয় গাইডদের মতে, জিপ সাফারির চেয়ে হাতির পিঠে চড়ে জঙ্গল ভ্রমণের অভিজ্ঞতা একেবারেই আলাদা।
​
​ চিলাপাতা তার গা ছমছমে পরিবেশ ও ঘন অরণ্যের জন্য পরিচিত। হাতির পিঠে সওয়ার হয়ে জঙ্গলের বহু গভীরে পৌঁছানো সম্ভব, যেখানে গাড়ির যাতায়াত অসম্ভব। এই জঙ্গলে একশৃঙ্গ গণ্ডার, হাতি, হরিণ, ময়ূরসহ নানা প্রজাতির পশুপাখির অবাধ বিচরণ।
পর্যটকদের বক্তব্য, “জিপে জঙ্গল দেখা আর হাতির পিঠে চড়ে প্রাকৃতিক পরিবেশে মিশে যাওয়ার অভিজ্ঞতা এক নয়। প্রশাসন দ্রুত এই বিষয়ে পদক্ষেপ করলে চিলাপাতা ভ্রমণের আকর্ষণ বহুগুণ বেড়ে যাবে।”
​এখন দেখার, পর্যটক ও ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের এই যুক্তিসঙ্গত দাবি মেনে নিয়ে বন দফতর ও জেলা প্রশাসন কবে চিলাপাতা জঙ্গলে হাতি সাফারির সবুজ সংকেত দেয়।

ব্যবসায়ী বিমল রাভা জানান :- আমরা দীর্ঘদিন ধরে হাতি সাফারির দাবি তুলে আসছি বনোদফর কাছে, তবে আশ্বাস দিলেও হাতি সাফারি শুরু হচ্ছে না। আমরা চাই যে চিলাপাতা হাজার হাজার পর্যটক আসে তাঁরাও জানান যে হাতি সাফারি হলে ভালো হয়, ঘন জঙ্গলে হাতি সাফারি করা যায়। আমরা আবারও দাবি জানাবো বনমন্ত্রী কাছে যে যেন দ্রুত হাতি সাফারি করা হোক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *