মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা: — হাসপাতালে রোগীর মৃত্যু নিশ্চিত করা নিয়ে চিকিৎসক ও পরিবারের মধ্যে তুমুল বচসা। সেই বচসা গড়াল ধস্তাধস্তিতে। পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গেও ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়ল মৃতের পরিবারের সদস্যরা। ভাঙচুর করা হয়েছে হাসপাতালের একাধিক সামগ্রী। রবিবার দুপুরে ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ালো মালদার রতুয়া গ্রামীণ হাসপাতালে। ঘটনায় দু’জনকে আটক করেছে পুলিশ। মৃত ব্যক্তির নাম মোহাম্মদ সাকিম। বয়স ৫৫ বছর। তাঁর বাড়ি রতুয়া থানার ভাদো এলাকার কয়লাপাথার গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে খবর, রবিবার সকালে জাকিরনগর এলাকায় ভুট্টার গাড়িতে লোডিংয়ের কাজ করছিলেন সাকিম। সেই সময় আচমকাই ১১ হাজার ভোল্টের বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে এসে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি।
তড়িঘড়ি স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে উদ্ধার করে রতুয়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। কিন্তু পরিবারের দাবি, হাসপাতালে আনার সময়ও সাকিম জীবিত ছিলেন। তাঁকে চিকিৎসা না করেই মৃত ঘোষণা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই চিকিৎসক ও মৃতের পরিবারের মধ্যে শুরু হয় তুমুল বচসা। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় রতুয়া থানার পুলিশ। পুলিশের সঙ্গেও বচসা ও ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। এরপর মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যাওয়ার সময়ও বাধা দেন পরিবারের সদস্যরা। হাসপাতাল চত্বরে বিক্ষোভের পাশাপাশি হাসপাতালের একাধিক সামগ্রী ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ দু’জনকে আটক করে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে বেশ কিছুক্ষণ রতুয়া গ্রামীণ হাসপাতাল চত্বরে চরম উত্তেজনা তৈরি হয়।
বিদ্যুৎস্পৃষ্ট রোগীর মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা, চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ পরিবারের।












Leave a Reply