কালিন্দ্রী নদীতে পাকা সেতু অধরাই, ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীদের উদ্যোগে শুরু বাঁশের সাঁকো তৈরির কাজ।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা : – পাকা সেতু নেই, ঘাট পারাপারে ভোগান্তি! ঘাটোয়ালের ভাড়া ও ব্যবহারে ক্ষুব্ধ হয়ে এবার নিজেরাই নদীর উপর সাঁকো তৈরিতে নামলেন গ্রামবাসীরা।
দীর্ঘদিনের দাবি, কিন্তু আজও কালিন্দ্রী নদীর উপর তৈরি হয়নি পাকা সেতু। বছরের পর বছর ধরে অস্থায়ী সাঁকোর উপর ভরসা করেই নদী পারাপার করতে হচ্ছে কয়েক হাজার মানুষকে। এবার ঘাটোয়ালের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তুলে নিজেরাই বাঁশের সাঁকো নির্মাণে উদ্যোগী হলেন গ্রামবাসীরা। আর এই ঘটনাকে ঘিরেই মালদার ইংরেজবাজারের লক্ষ্মীঘাটে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক।জানা গিয়েছে, ইংরেজবাজার ব্লকের লক্ষ্মীঘাটের পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে কালিন্দ্রী নদী। এই নদী পারাপার করেই নরহাট্টা, ফুলবাড়ি ও পুখুরিয়া অঞ্চলের বেশ কয়েকটি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষকে প্রতিদিন বিভিন্ন প্রয়োজনে যাতায়াত করতে হয়। এতদিন জেলা পরিষদ থেকে ঘাট লিজ নিয়ে ঘাটোয়াল অস্থায়ী সাঁকো তৈরি করে পারাপারের ব্যবস্থা করতেন। নির্দিষ্ট রেট চার্ট অনুযায়ী সারা বছর সাধারণ মানুষের কাছ থেকে পারাপারের ভাড়া নেওয়া হতো।গ্রামবাসীদের অভিযোগ, ঘাট পারাপারের জন্য ঘাটোয়াল অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছেন। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন সময়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে দুর্ব্যবহারও করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা সিদ্ধান্ত নেন, আর ঘাটোয়ালের সাঁকো ব্যবহার করবেন না। নিজেদের উদ্যোগেই চাঁদা তুলে নদীর উপর বাঁশের সাঁকো তৈরি করবেন তাঁরা। সেই মতো ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে সাঁকো নির্মাণের কাজ।অন্যদিকে, এবছর ঘাটোয়ালও নদীর উপর লোহার কাঠামো দিয়ে নতুন অস্থায়ী সাঁকো নির্মাণের কাজ শুরু করেছেন। আর তার ঠিক পাশেই গ্রামবাসীদের উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো তৈরির কাজ শুরু হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চর্চা শুরু হয়েছে।গ্রামবাসীদের স্পষ্ট বক্তব্য, নিজেদের উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো তৈরি করলেও তাঁদের মূল দাবি থেকে তাঁরা সরছেন না। লক্ষ্মীঘাটে অবিলম্বে সরকারি উদ্যোগে একটি পাকাপোক্ত সেতু নির্মাণ করতে হবে। যাতে বছরের পর বছর ধরে নদী পারাপারের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পান কয়েক হাজার মানুষ।অন্যদিকে, ঘাটোয়ালের দাবি, তিনি সরকারি নির্ধারিত রেট চার্ট মেনেই পারাপারের ভাড়া আদায় করেন। তা সত্ত্বেও গ্রামবাসীরা পৃথক সাঁকো নির্মাণ করছেন। বিষয়টি নিয়ে তিনি প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন। প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

মালদা জেলা পরিষদের অতিরিক্ত জেলা শাসক ভাস্কর মজুমদার জানান অনুমতি নিয়েই ঘাটওয়াল সে অস্থায়ী লোহার ব্রিজ কাজ শুরু করেছে গ্রামবাসীরা যে অভিযোগ করছে সেটা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এর পাশাপাশি সমস্যা থাকতে পারে তবে সেটা আলোচনা করে দেখা যেতে পারে তবে জেলা পরিষদের ঘাটে এইভাবে গ্রামবাসীরা নিজের ইচ্ছায় যে বাঁশের সাঁকো তৈরি করছেন সেটা সঠিক নয় সেটা মানা হবে না

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *