মাথাভাঙা ২নং ব্লকের ফুলবাড়ী অঞ্চলের দুইজন পঞ্চায়েত সদস্য, একজন পঞ্চায়েত সমিতি সহ কয়েকজন বিজেপি নেতৃত্বরা যোগ দিল তৃণমূল কংগ্রেসে।

মনিরুল হক, কোচবিহারঃ- ফের বিজেপিতে ভাঙ্গন মাথাভাঙায়। এদিন মাথাভাঙা ২নং ব্লকের ফুলবাড়ী অঞ্চলের দুইজন পঞ্চায়েত সদস্য, একজন পঞ্চায়েত সমিতি সহ কয়েকজন বিজেপি নেতৃত্বরা যোগ দিল তৃণমূল কংগ্রেসে। এদিন মাথাভাঙ্গা শহর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ে তাদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন তৃনমূলের জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক। সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন দলের চেয়ারম্যান গিরিন্দ্রনাথ বর্মণ সহ অন্যান্য তৃণমূল প্রার্থীরা।
বিজেপি ছেড়ে তৃনমূলে আসা এক পঞ্চায়েত সদস্যারা জানান, সাধারণ মানুষের ভোটে জয়ী হওয়ার পর যদি তাদের হয়ে কাজ করতে না পাড়ি তাহলে কি লাভ। তাই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির যে উন্নয়ন মূলক প্রকল্পের কাজ রয়েছে, সেগুলোর দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে বিজেপি ছেড়ে তৃনমূলে যোগদান করলাম। আজ আমরা দুই জন পঞ্চায়েত সদস্যা, একজন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য এবং দুইজন স্থানীয় নেতৃত্বদের নিয়ে বিজেপি ছেড়ে তৃনমূলে যোগদান করলাম। আগামী দিনে দল যেভাবে আমাদের নির্দেশ দেবে সেভাবেই কাজ কর্ম আমরা করবো এবং সাধারণ মানুষের পরিষেবায় নিজেদের নিয়োজিত করবো বলে জানান তারা।
এবিষয়ে তৃনমূলের জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক জানান,মাথাভাঙা ২নং ব্লকের ফুলবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় ২৪টি আসন রয়েছে। তার মধ্যে ২০টি আসন পায় বিজেপি। বাকি ৪টি আসন পায় তৃণমূল কংগ্রেস। এই অঞ্চলের বিধানসভা ও লোকসভা ভোটে আমরা পরাজিত। এটি একটি বিজেপির শক্ত ঘাটি। সেই বিজেপির শক্তঘাটি থেকে আজ আমরা ২ জন পঞ্চায়েত সদস্যা নীলিমা প্রামাণিক ও মিতালী রায়, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য কুমকুম রায় বীর, ফুলবাড়ীর মণ্ডল সহ সভাপতি মলিন রায় প্রামাণিক, নিপু বর্মণ সহ অনেকে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন। এই যোগদানের ফলে ওই অঞ্চলে আমাদের শক্তি কিছুটা বৃদ্ধি পেল। যারা সাধারণ মানুষের ভোটে জয়ী হয়েছেন তারা তো এলাকায় মানুষের হয়ে কাজ করতে যান। সেই কারনে আজ তারা আমাদের দল তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন। আগামী দিনে বাকি বিজেপি জন প্রতিনিধিরা যোগাযোগ রাখছে, তাদেরকেও আগামীতে যোগদান করা হবে বলে জানান তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *