নিজস্ব সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার:- জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের পশ্চিম প্রান্তে পথ চলা শুরু করেছিল কুঞ্জনগর ইকো পার্ক।বনদপ্তরের উদ্যোগে চড়ুইভাতির সঙ্গে সঙ্গে পার্ক চত্বরে গড়ে তোলা হয়েছিল শিশুউদ্যান।আনা হয়েছিল নানান প্রজাতির হরিণ, চিতাবাঘ, তৈরি হয়েছিল ওয়াচটাওয়ার ও বার্ড এ্যাভিয়ারি। এছাড়া পর্যটকদের রাত্রিবাসের জন্যে গড়া হয়েছিল সুদৃশ্য কটেজ,ছিল বোটিং এর ব্যবস্থা। ফালাকাটা শহর থেকে মাত্র সাত কিলেমিটার দূরের এই পর্যটন কেন্দ্রটি অচিরেই রাজ্য পর্যটনের মানচিত্রে জায়গা করে নেয়। স্থানীয় পর্যটকরা তো বটেই, পর্যটন কেন্দ্রটির ছবির মতো প্রাকৃতিক ক্যানভাসের টানে ভিন রাজ্য ও বিদেশী পর্যটকরাও এক সময় ভিড় জমাতেন।ফলে কিছুদিনের মধ্যেই এলাকার অর্থনীতি চাঙ্গা হয়ে ওঠে।কিন্তু বছর কয়েক আগে এক অজানা কারনে কুঞ্জনগর থেকে সব ধরনের বন্যপ্রাণি ও পাখিদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। যার ফলে কিছুদিনের মধ্যেই জৌলুশ হারায় এক সময় ডুয়ার্সের রাণি বলে পরিচিত কুঞ্জনগর ইকো পার্ক।বছরের পর বছর ধরে চরম অবহেলায় পড়ে পড়ে থাকতে থাকতে বর্তমানে একেবারেই বিবর্ণ হয়ে পড়েছে এক সময়ের সবুজ মাখানো ইকো পার্কটি। তবে কুঞ্জনগরের গৌরব ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগী হলেন ফালাকাটা টাউন ব্লক তৃণমূলের সভাপতি শুভব্রত দে। ওই বিষয়ে রাজ্যের বনমন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। এই প্রসঙ্গে বনমন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা বলেন, “বিষয়টি শুনলাম, উপ নির্বাচনে পর নিজে ওই এলাকা পরিদর্শন করে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।”
কুঞ্জনগরের গৌরব ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগী হলেন ফালাকাটা টাউন ব্লক তৃণমূলের সভাপতি শুভব্রত দে।












Leave a Reply