নদীয়া, নিজস্ব সংবাদদাতা :- সম্প্রতি শান্তিপুরে বিভিন্ন মহামানবের মূর্তি প্রতিষ্ঠা, আমার ভালবাসার শহর শান্তিপুর, গর্বের তাঁত শিল্প নামাঙ্কিত আলো, পৌরসভা সংলগ্ন রবীন্দ্র কাননে সুসজ্জিত মডেল, এ ধরনের নানান সৌন্দর্যায়নের কাজ চলছে পুরসভার তত্ত্বাবধানে। শহরের মূল প্রাণকেন্দ্র ডাকঘরে বহু প্রাচীন এবং ঐতিহ্যপূর্ণ নেতাজি সুভাষ চন্দ্রের মূর্তির চারিপাশে স্টিলের ব্যারিকেড, পেছনে অত্যাধুনিক এলইডি ব্যাকগ্রাউন্ড, নেতাজি মূর্তির উন্নত রং , জাতীয় পতাকা তোলার স্তম্ভ নির্মাণ। এবং ডাকঘর বাসস্ট্যান্ডে ৫০ ফুটের বেশি উচ্চতা স্তম্ভ সহ ১২ ফুট লম্বা এবং ৮ ফুট চওড়া জাতীয় পতাকা উত্তোলনের ব্যবস্থা করা হয় আজ ৭৭ তম স্বাধীনতা দিবসের দিনে।
শান্তিপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান সুব্রত ঘোষ ভাইস চেয়ারম্যান কৌশিক প্রামানিক অন্যান্য কাউন্সিলারগণ, পৌর কর্মচারী সংগঠনের নেতৃত্ব ও বিভিন্ন পৌর আধিকারিকগণ
প্রথমে শান্তিপুর পৌরসভার জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর প্রাক্তন পৌরপিতা মিহির খাঁ এবং অজয়দের মূর্তিতে মাল্যদান করে এসে ডাকঘর মোড়ে স্থাপিত নেতাজি মূর্তির নব সংস্কার সর্বসাধারণের উদ্দেশ্যে উন্মোচন করেন, জাতীয় পতাকা তোলার বেদী উন্মোচন, নেতাজির চারিপাশে থাকা রেলিংয়ের দ্বার উদঘাটন, এবং নেতাজীর গলায় মাল্যদান করে শান্তিপুর ডাকঘর থেকে এক বর্ণাঢ্য পদযাত্রা করে বাসস্ট্যান্ডে এসে নবনির্মিত ৫০ ফুট উচ্চতার স্তম্ভ তে ১২ ফুট চওড়া ৮ ফুট লম্বা উচ্চতার জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।
এ প্রসঙ্গে ভাইস চেয়ারম্যান কৌশিক প্রামাণিক জানান, শান্তিপুর পৌরসভা শহরকে সুসজ্জিত করে তুলতে এবং সমস্ত পরিষেবা পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর, তবে একজন সচেতন সুনাগরিক হিসাবে তা রক্ষা করতে হবে তাদেরই।
চেয়ারম্যান সুব্রত ঘোষ জানান, শহরের যেকোনো শেষ প্রান্ত থেকে এই জাতীয় পতাকা লক্ষ্য করা যাবে। শহরের প্রাণকেন্দ্র ডাকঘর হওয়ার কারণে বিভিন্ন শোভাযাত্রার সময় নেতাজি মূর্তির পাশে থাকা লোহার ব্যারিকেড ভেঙ্গে যাওয়ার উপক্রম হয় তাই এবার স্টিলের শক্তপোক্ত গার্ড ব্যবহার করা হয়েছে। জাতীয় পতাকা তোলার ব্যবস্থা ছিল না নেতাজির পদতলে, সেই ব্যবস্থাও করা হয়, সন্ধ্যের পর থেকে নেতাজির পেছনের ব্যাকগ্রাউন্ড এর আলো আরো মনোমুগ্ধকর পরিবেশ সৃষ্টি করবে। অন্যদিকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরের মতন শান্তিপুর শহরেও দিবারাত্র উড়বে এই সুবিশাল এবং সুউচ্চ জাতীয় পতাকা। যা আমাদের শহরকে আরো গৌরবান্বিত করে তুলবে।












Leave a Reply