গড়বেতায় কর্মসূচি থেকে ‘যুব সাথী’কে বৈপ্লবিক পদক্ষেপ বলে দাবি তৃণমূলের।

নিজস্ব সংবাদদাতা, পশ্চিম মেদিনীপুর :- বাংলার যুবসমাজকে স্বাবলম্বী করতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘যুব সাথী’ (যুবশ্রী) প্রকল্প আজ বিশ্বমঞ্চে সমাদৃত। তৃণমূলের তরুণ নেতৃত্ব সুদীপ ওঝা এবং দিব্যেন্দু নায়কের মতে, এই প্রকল্পের সাফল্য কেবল রাজ্যের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নেই, বরং বেকারত্ব দূরীকরণে এক দিগন্তকারী মডেল হিসেবে এর দিকে তাকিয়ে রয়েছে গোটা বিশ্ব।

সম্প্রতি গড়বেতা তিন নম্বর ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক এর কার্যালয়ের সামনে সুদীপ ওঝা বলেন, “যখন সারা বিশ্বে বেকারত্ব এক বড় চ্যালেঞ্জ, তখন বাংলার ‘যুব সাথী’ প্রকল্প তরুণ প্রজন্মের হাতে আর্থিক সুরক্ষার পাশাপাশি আত্মবিশ্বাসও তুলে দিচ্ছে।” তাঁর দাবি, বিদেশের বহু দেশ এখন বাংলার এই সামাজিক সুরক্ষা মডেল নিয়ে চর্চা শুরু করেছে।

অন্যদিকে, দিব্যেন্দু নায়ক এই প্রকল্পের কারিগরি দিকটি ব্যাখ্যা করে জানান যে, বেকার যুবক-যুবতীদের নথিভুক্তকরণ এবং তাঁদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য এই উৎসাহভাতা প্রদান একটি বৈপ্লবিক পদক্ষেপ।

আর তাছাড়া”ইউনেস্কো বা রাষ্ট্রপুঞ্জ যেভাবে বাংলার জনমুখী প্রকল্পগুলোকে স্বীকৃতি দিচ্ছে, তাতে যুব সাথী প্রকল্পও খুব শীঘ্রই আন্তর্জাতিক স্তরে সেরা মডেল হিসেবে পুরস্কৃত হবে।”

তৃণমূলের এই দুই নেতার দাবি, বিরোধীরা সমালোচনা করলেও সাধারণ মানুষ এই প্রকল্পের সুফল পাচ্ছেন। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুবশক্তিকে কর্মক্ষম করে তোলার যে উদ্যোগ বাংলা নিয়েছে, তা আধুনিক অর্থনীতিতে এক দৃষ্টান্ত। তাঁদের মতে, বাংলার এই ‘যুব উন্নয়ন’ মডেলই আগামী দিনে বিশ্বকে দিশা দেখাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *