কাটমানি নেওয়ার মিথ্যা অভিযোগ, অবিলম্বে অভিযোগকারী দূর্গা প্রসাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি।

নিজস্ব সংবাদদাতা, মালদা—তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা কে হেনস্তা ও আবাসের জন্য কাটমানি নেওয়ার মিথ্যা অভিযোগ করার জন্য বিজেপি কর্মীর বিরুদ্ধে ও পঞ্চায়েত সদস্যার সমর্থনে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখালেন তৃণমূল কর্মী ও সমর্থকদের একাংশ। শনিবার বিকেলে হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের বরুই গ্রাম পঞ্চায়েতের বরুই গ্রামে বিক্ষোভ দেখান তারা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পঞ্চায়েত সদস্যা শকুন্তলা সাহা কে আবাসের জন্য ৩০ হাজার টাকা কাটমানি দেওয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন পঞ্চায়েত সদস্যার নিজের ভাইপো দুর্গা প্রসাদ সাহা। গত ২৭ নভেম্বর প্রকাশিত আবাসের তালিকায় নাম না আসায় গত ২ ডিসেম্বর পঞ্চায়েত সদস্যার বাড়িতে টাকা ফেরত চাইতে গিয়ে সদস্যার স্বামী ও ছেলের হাতে আক্রান্ত হওয়ার অভিযোগ তুলে হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। অপরদিকে বাড়িতে ঢুকে সদস্যার স্বামী এবং ছেলে কে মারধরের অভিযোগ তুলে পাল্টা অভিযোগ দায়ের করেন শকুন্তলা। এই ঘটনার রেস কাটতে না কাটতেই এদিন সদস্যার হয়ে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখালেন বাসিন্দাদের একাংশ। তাদের দাবি সদস্যা কে বদনাম করতে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে। অবিলম্বে ওই অভিযোগকারী দূর্গা প্রসাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি তোলেন তারা।
স্থানীয় বাসিন্দা অরুনা দাস ও চায়না দাসরা বলেন, দূর্গা প্রসাদের বরুই ও কুশিদা এলাকায় পাকা বাড়ি রয়েছে।
তিনি ব্যবসা করেন। তারপরও ওর বাড়ি চাই। পঞ্চায়েত সদস্যা আবাসের জন্য কারও কাছে কাটমানি দাবি করেনি। তার নামে মিথ্যা অভিযোগ করছেন। আমরা তাই প্রতিবাদ জানাচ্ছি। যদিও অভিযোগকারী দুর্গা প্রসাদ বলেন, আবাসের ঘর পাইয়ে দেওয়ার নাম করে আমার কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা নিয়েছে পঞ্চায়েত সদস্যা। প্রাথমিক তালিকায় নাম না থাকায় আমি টাকা ফেরত চাইতে গেলে ওই সদস্যার স্বামী এবং ছেলে আমাকে মারধর করে। তাই আমি অভিযোগ করেছি। পঞ্চায়েত সদস্যা শকুন্তলা বলেন, দুর্গা প্রসাদ আমার নিজের ভাইপো হয়। দীর্ঘ দুই বছর থেকে তার সঙ্গে আমাদের পারিবারিক কোন সম্পর্ক নেই। তার দুই জায়গায় পাকা বাড়ি রয়েছে। আবাসের খসড়া তালিকায় তার নাম না থাকায় আমাকে দোষারোপ করছে। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছে। তবে পুনরায় সমীক্ষার পর তার নাম আবাসের তালিকায় উঠেছে। আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ করার জন্য প্রশাসন কে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দাবি করছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *