হাওড়া, নিজস্ব সংবাদদাতা:- সোমবার সকাল থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার তৃণমূল কর্মী পতাকা হাতে রওনা দিয়েছেন ধর্মতলার শহীদ মঞ্চের উদ্দেশ্যে। ট্রেন হোক বা বাস—প্রতিটি যাত্রাপথ জুড়ে ‘তৃণমূল কংগ্রেস জিন্দাবাদ’ স্লোগানে মুখর ছিল পরিবেশ।
আজ ২১ জুলাই, শহীদ দিবস। শহীদদের স্মরণে কলকাতার ধর্মতলায় আয়োজিত হয় রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম বৃহৎ বার্ষিক জনসভা। এবার মঞ্চে উঠে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করলেন,
“আগামী ২৭ জুলাই থেকে গোটা পশ্চিমবঙ্গে শুরু হবে ‘ভাষা আন্দোলন’। বাংলা ভাষার সম্মান ও অধিকার রক্ষায় আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।”
এদিন মঞ্চে আমন্ত্রিত ছিলেন বিতান অধিকারী নামে এক শহীদের পিতা ও মাতা, এবং শহীদ ঝন্টু আলীর পরিবার। মুখ্যমন্ত্রী নিজে হাতে মঞ্চ থেকে দুই পরিবারকে রাজ্যের প্রতিটি তৃণমূল সাংসদ, বিধায়ক, চেয়ারম্যান ও পঞ্চায়েত প্রধানদের দেওয়া ১ টাকা করে অনুদান থেকে গড়া ২ লক্ষ টাকার চেক প্রদান করেন।
সভায় বক্তব্য রাখতে উঠে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,
“আগামী দিনে আমরা পদ্মফুল উপড়ে ফেলব। এবার শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে দেব না।”
এই দিনে ধর্মতলা চত্বরে অসংখ্য কর্মী ভিড়ের কারণে সভাস্থলে ঢুকতে পারেননি। কিন্তু তারা রাস্তায় দাঁড়িয়ে সভার বক্তব্য শোনেন এবং একযোগে ভাষা দিবস পালনের শপথ নেন। “বাংলা ভাষার সম্মান রক্ষা করব, এটাই আমাদের একুশের শপথ”—বলছেন অনেক তৃণমূল কর্মী।
শেষ কথা:
এই জনসমুদ্র ও দৃঢ় বার্তা থেকে স্পষ্ট—২১ জুলাই শুধু একটি শহীদ দিবস নয়, বরং তা এখন হয়ে উঠেছে রাজ্যের রাজনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ ভাষা ও স্বাভিমানের লড়াইয়ের দিন।












Leave a Reply