🛒 উপকরণ
কই মাছ – ৬–৮টি
আলু – ২টি (লম্বা করে কাটা)
বেগুন – ১টি (ঐচ্ছিক)
টমেটো – ১টি
পেঁয়াজ কুচি – ১ কাপ
আদা বাটা – ১ চামচ
রসুন বাটা – ১ চামচ
জিরা বাটা – ১ চামচ
হলুদ গুঁড়ো – ১ চামচ
লাল লঙ্কা গুঁড়ো – ১ চামচ
কাঁচালঙ্কা – ৫টি
ধনেপাতা কুচি – সামান্য
কালোজিরে – ½ চামচ
সর্ষের তেল – ৭ চামচ
লবণ – স্বাদমতো
গরম জল – প্রয়োজনমতো
👩🍳 বিস্তারিত প্রণালী
প্রথমে কই মাছ ভালোভাবে পরিষ্কার করে ধুয়ে নিন। কই মাছ পরিষ্কার করার সময় আঁশ ও ভিতরের অংশ খুব ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। এরপর মাছে সামান্য লবণ ও হলুদ মাখিয়ে ১৫–২০ মিনিট রেখে দিন।
এখন কড়াইয়ে সর্ষের তেল গরম করুন। তেল ধোঁয়া ওঠা পর্যন্ত গরম হলে আঁচ কমিয়ে মাছগুলো সাবধানে ভাজুন। কই মাছ লাফাতে পারে, তাই ঢাকনা ব্যবহার করলে সুবিধা হয়।
মাছের দুই পাশ সোনালি হলে তুলে রাখুন। এরপর একই তেলে আলু ও বেগুন হালকা ভেজে নিন।
এখন কড়াইয়ে কালোজিরে ও ২টি চেরা কাঁচালঙ্কা ফোড়ন দিন। সঙ্গে সঙ্গে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে মাঝারি আঁচে ভাজতে থাকুন। পেঁয়াজ হালকা বাদামি হলে আদা ও রসুন বাটা দিন।
এরপর জিরা বাটা, হলুদ ও লাল লঙ্কা গুঁড়ো সামান্য জল মিশিয়ে কড়াইয়ে ঢেলে দিন। মশলা ধীরে ধীরে কষাতে থাকুন। তেল আলাদা হতে শুরু করলে টমেটো কুচি দিয়ে দিন।
টমেটো নরম হয়ে গেলে ভাজা আলু ও বেগুন মিশিয়ে নাড়ুন। এরপর প্রয়োজনমতো গরম জল ঢালুন।
ঝোল ফুটতে শুরু করলে মাছগুলো আস্তে করে দিয়ে দিন। ওপরে কাঁচালঙ্কা ছড়িয়ে ঢেকে দিন।
কম আঁচে ১০–১২ মিনিট রান্না করুন। এই সময়ে মাছের স্বাদ ঝোলের সঙ্গে মিশে যাবে এবং সর্ষের তেলের গন্ধে অসাধারণ স্বাদ তৈরি হবে।
রান্না শেষে ওপরে ধনেপাতা কুচি ও সামান্য কাঁচা সর্ষের তেল ছড়িয়ে দিন। এতে ঝোলের গন্ধ আরও বেড়ে যাবে।
চুলা বন্ধ করে ৫ মিনিট ঢাকা দিয়ে রাখুন যাতে মশলার গন্ধ সুন্দরভাবে বসে যায়।
🍽️ পরিবেশন
গরম ভাতের সঙ্গে কই মাছের তেল ঝোল পরিবেশন করুন। পাশে কাঁচালঙ্কা ও লেবু থাকলে স্বাদ আরও বাড়ে। এটি বাঙালির ঘরোয়া রান্নার অন্যতম জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যবাহী মাছের পদ।












Leave a Reply