ডিটেক্ট, ডিলিট ও ডিপোর্ট নীতিতে জোর, মালদায় বাড়ানো হল পরিকাঠামো।

মালদহ, নিজস্ব সংবাদদাতা:- রাজ্যে ক্রমেই বাড়ছে ধরা পড়া বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারীর সংখ্যা। সরকারি ঘোষিত নীতি ডিটেক্ট, ডিলিট ও ডিপোট অনুযায়ী প্রতিদিনই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ধরা পড়ছে অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশে পাঠানোর আগে তাঁদের রাখার জন্য তৈরি হচ্ছে হোল্ডিং সেন্টার। মালদহে হোল্ডিং সেন্টারের সংখ্যা বেড়ে হল তিন। ইতিমধ্যেই এই হোল্ডিং সেন্টার গুলিতে দেড়শোরও বেশি অবৈধ অনুপ্রবেশকারীকে রাখা হয়েছে। মালদহ জেলার পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের ব্যারাকপুর থেকেও ধরা পড়া শতাধিক বাংলাদেশীকে এনে রাখা হয়েছে মালদহের হোল্ডিং সেন্টারে।

পুলিশ সূত্রে জানাগিয়েছে, প্রথমে মালদহের ইংরেজবাজারের বাগবাড়িতে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে হোল্ডিং সেন্টার করা হয়। এরপর পুরাতন মালদহের নারায়ণপুরের জলঙ্গা মাঠে ফ্ল্যাড সেন্টারে দ্বিতীয় হোল্ডিং সেন্টার চালু করেছে প্রশাসন। এরই পাশাপাশি আজ মালদহের বামনগোলা থানার পাকুয়াহাট কর্মতীর্থে জেলার তৃতীয় হোল্ডিং সেন্টার চালু করা হল। মালদহে এই তিনটি হোল্ডিং সেন্টার মিলিয়ে একসঙ্গে অন্তত আড়াইশো থেকে তিনশো জন অনুপ্রবেশকারীকে রাখা সম্ভব হবে।
ইতিমধ্যেই মালদা জেলায় ধরা পড়া বেশকিছু অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে পুশব্যাক করেছে প্রশাসন। ধাপে ধাপে বাকিদেরও হোল্ডিং সেন্টার থেকে পাঠানো হবে বাংলাদেশে।

ভারত- বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী জেলা মালদহে বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারীদের ধরতে ইতিমধ্যেই সক্রিয় প্রশাসন। ইতিমধ্যেই জেলায় প্রায় ২৩ জন বাংলাদেশী ধরা পড়েছে। ভবিষ্যতেও মালদা এবং অন্যান্য জেলায় ধরা পড়া অনুপ্রবেশকারীর সংখ্যা বাড়তে পারে। এই ভাবনা থেকেই সীমান্তবর্তী জেলা মালদহে হোল্ডিং সেন্টারের পরিকাঠামো বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার অনুপম সিং।

অন্যদিকে জেলায় বা রাজ্য যারা বেআইনি অনুপ্রবেশ করেছেন, বাংলাদেশী হয়েও এতদিন এরাজ্যের সুযোগ সুবিধে ভোগ করছেন, তাদের প্রত্যেককে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন মালদা বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক গোপাল সাহা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *