মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা | ২৭ জুলাই: – রাজস্থানে বাংলাদেশি সন্দেহে গ্রেপ্তার করা হয়েছে মালদার কালিয়াচক থানার জালালপুর এলাকার এক পরিযায়ী শ্রমিককে। অভিযোগ, নথিপত্র থাকা সত্ত্বেও তাঁকে ডিটেনশন ক্যাম্পে রাখা হয়েছে এবং পরে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কালিয়াচক এলাকায়।
শনিবার সন্ধ্যায় বাংলা পক্ষের নেতৃত্ব জালালপুরে পৌঁছে ওই শ্রমিকের শোকার্ত পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষের সাধারণ সম্পাদক গর্ব চট্টোপাধ্যায়, সদস্য কৌশিক মাইতি, আব্দুল লতিফ, রজত ভট্টাচার্য ও মালদা জেলা সভাপতি শুভ্রজ্যোতি দত্ত-সহ দলের একাধিক সদস্য।
বাংলা পক্ষের নেতৃত্ব এই ঘটনাকে “বাংলা ও বাঙালি বিদ্বেষের নগ্ন উদাহরণ” বলে আখ্যা দেন। তাঁদের অভিযোগ,
“বাংলার শ্রমিকরা নিজেদের রাজ্যে কাজ না পেয়ে ভিন রাজ্যে পাড়ি দেন। কিন্তু সেখানে গিয়েও তাঁদের হেনস্তা হতে হচ্ছে। ‘বাংলাদেশি’ তকমা দিয়ে বাঙালিদের ভয় দেখানো হচ্ছে, আতঙ্ক ছড়ানো হচ্ছে। এটা সরাসরি জাতিগত বিদ্বেষ।”
বাংলা পক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাঁরা ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পরিযায়ী শ্রমিক কল্যাণ বোর্ড-এর সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং শীঘ্রই ভারত সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রকের সঙ্গেও এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগাযোগ করবেন।
দলের তরফে আরও বলা হয়েছে,
“সিপিএম, তৃণমূল, কংগ্রেস—সব দল বাঙালি বিদ্বেষের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছে ঠিকই, পথে নেমেছে ঠিকই, কিন্তু বাস্তবিক কোনও সমাধান এখনও বেরোয়নি। আমরা চাই রাজ্য ও কেন্দ্র যৌথভাবে এ ধরনের ঘটনা বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ করুক।”
এই ঘটনার ফলে রাজস্থানে কাজ করতে যাওয়া বহু বাঙালি শ্রমিকের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁদের সুরক্ষার বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে।












Leave a Reply