সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, মালদায় গ্রেফতার তৃণমূল নেতা কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা :- তৃণমূল জামানায় অভিযোগ করেও কোন বিচার পাওয়া যায়নি বৃদ্ধা মণিকা চক্রবর্তী পরিবার l আর সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সম্পত্তি জালিয়াতির মতো গুরুতর উঠেছিল শাসক দলের ঘনিষ্ঠ তৃণমূল কর্মী কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী যিনি আবার মালদা হোটেল রেস্টুরেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক l আজকে রাজ্যের পালাবদল হতেই নতুন সরকারের কাছে ন্যায্য বিচারের দাবিতে অভিযোগ করাতে সেই অভিযোগে নড়েচড়ে বসলো পুলিশ l জালিয়াতি করে সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন তৃণমূল নেতা তথা মালদা হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী ঘটনায় পুলিশের পদক্ষেপে খুশি অভিযোগকারী বৃদ্ধা মনিকা চক্রবর্তী l

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কৃষ্ণেন্দু চৌধুরীর বিরুদ্ধে সম্পত্তি জালিয়াতির অভিযোগ দায়ের করেন তাঁর আত্মীয় মণিকা চক্রবর্তী। অভিযোগ, মামলা তুলে নেওয়ার জন্য তাঁকে হুমকিও দেওয়া হয়েছিল। পরিবারের দাবি, ২ নম্বর গভর্নমেন্ট কলোনি এলাকার একটি সম্পত্তি হাতিয়ে নিতে কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী তাঁর বাবা অবিনাশ চৌধুরী এবং জমির প্রকৃত মালিক নারায়ণচন্দ্র চৌধুরীকে একই ব্যক্তি হিসেবে দেখিয়েছেন। এমনকি নারায়ণচন্দ্র চৌধুরীকে নিজের বাবা হিসেবে দাবি করারও অভিযোগ উঠেছে। অথচ পরিবারের দাবি, নারায়ণচন্দ্র চৌধুরী কখনও বিয়েই করেননি।
অভিযোগ আরও, পুরাতন মালদার রশিলাদহ এলাকার একটি সম্পত্তি এবং রথবাড়ি এলাকার একটি লজও একইভাবে নিজের দখলে নেওয়া হয়েছে। গোটা বিষয়টি লিখিতভাবে জানিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হন নারায়ণচন্দ্র চৌধুরীর ভাগ্নি মণিকা চক্রবর্তী।
তৃণমূলের শাসনকালে অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, সরকার পরিবর্তনের পরেই কেন সক্রিয় হল পুলিশ—তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। তবে পুলিশের পদক্ষেপে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন অভিযোগকারী মণিকা চক্রবর্তী। তাঁর কথায়, “অবশেষে পুলিশ পদক্ষেপ নিয়েছে, এতেই আমি খুশি।”

আর এই ঘটনা কে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানোতর দক্ষিণ মালদা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ রায় জানান যে বা যারা কোন অন্যায় করলে এই সরকার তাদেরকে উপযুক্ত শাস্তি দিবে এটাই এই কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী ক্ষেত্রেও হয়েছে

মালদা জেলার তৃণমূল কংগ্রেস নেতা বিশ্বজিৎ ঘোষ জানান পুলিশ কেন সে সময় ব্যবস্থা নেয়নি সেটা পুলিশের বিষয় তবে এখানে দল না দেখে পুলিশকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত ছিল। এখানে কোন রাজনৈতিক বিষয় নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *