দলীয় কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে হাঁটেন দিলীপ ঘোষ। তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর চায়ে পে চর্চায় অংশ নেন।

পূর্ব বর্ধমান, রামকৃষ্ণ চক্রবর্তীঃ-বুধবার বর্ধমানের টাউন হল মাঠে বেশ কয়েকজন দলীয় কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে হাঁটেন দিলীপ ঘোষ। তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর চায়ে পে চর্চায় অংশ নেন। পরে জেলা অফিসে সংবর্ধণা জ্ঞাপন করা হয় বিজেপী জেলা সভাপতি অভিজিৎ তা এর তরফে। উপস্থিত ছিলেন দুর্গাপুর পশ্চিম বিধানসভার বিধায়ক লক্ষ্মণ ঘরুই সহ বিজেপি জেলা নেতৃত্ব। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে জয়ের ব্যাপারে বেশ আশাবাদী দিলীপ।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় এর উদ্দেশ্যে বক্তব্য নিয়ে বলেন,মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাঁর সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত কোনও বিরোধ নেই, কোনও ক্লেশ নেই। কোনও দুর্ভাবনা নেই। কিন্তু রাজনৈতিক বক্তৃতা তিনি বারবার দিয়েছেন। মানুষকে বিভ্রান্ত করে তাদের বিরুদ্ধে কথা বলেছি, প্রশ্ন তুলেছি, প্রতিবাদ করেছি। আমার ভাষা নির্বাচন নিয়ে অনেকেই আপত্তি করেছেন, আমার পার্টির-ও আপত্তি আছে, অন্যরাও বলেছেন। যদি তাই হয় তাহলে আমি দুঃখিত”।

দিলীপ আরও বলেন, “আমার প্রশ্ন হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের এক নেতা, তার পরিবারেরই এক নেতা, কাঁথিতে দাঁড়িয়ে আমার দলের নেতা, তার পরিবার, তার বাবাকে খারাপ ভাষায়, কুরুচিকর ভাষায় আক্রমণ করবে। সেখানে তার বিরুদ্ধে কিছু বলা হয়নি কেন? তৃণমূল কেন কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না? কেউ কিছু বলছে না। শুভেন্দু অধিকারীর বাবা বাংলার একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ, তাকে অপমান করা হচ্ছে। শুভেন্দু অধিকারীকে অপমান করা হচ্ছে। তার কোনও সম্মান নেই। একজন মহিলা যা খুশি বলবে। কেবল মহিলা কার্ড ব্যবহার করবে। আমি তারই প্রতিবাদ করেছি”।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *