বাবা মারা যাওয়ার পর, বেশ কিছু মাস ধরেই আমি খুব সমস্যার মধ্যে আছি, এবং আগামী দিনের সমস্যায় পড়বো সেই রকমই আমি খবর পাচ্ছি!!!

পূর্ব মেদিনীপুর-কাঁথি, নিজস্ব সংবাদদাতা :- বাবা মারা যাওয়ার পর, বেশ কিছু মাস ধরেই আমি খুব সমস্যার মধ্যে আছি, এবং আগামী দিনের সমস্যায় পড়বো সেই রকমই আমি খবর পাচ্ছি, বাবা মারা যাওয়ার পর কিছু বস্তির লোকেরা এসে লোকাল কিছু গুন্ডাবাহিনীকে নিয়ে এসে আমার দোকানটা বন্ধ করে দিয়ে চলে যায়।, এবং থ্রেট দিতে থাকে, ঠিক তারপরেই আবার পুনরায় একই লোকেরা, সেম ভাবেই আমার দোকান বন্ধ করে, তারপর আমি মামলা করি। এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এমনই মন্তব্য করলেন কাঁথি পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা তথা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শেখ ফরিদুল ইসলাম। তিনি জানিয়েছেন, আমি আবার ব্যবসা চালাচ্ছিলাম, তারপরে কিছু গ্রামের মহিলারা এসে আমাকে আমার স্ত্রীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে,
কিছু রাজনৈতিক প্রভাবশালীর ব্যক্তির ইন্ধনের এইসব হচ্ছে,
বাবা মারা যাওয়ার পরে মা বোনের কাছে আমি আছি, এই জায়গাটাকে হাতিয়ে নেওয়ার জন্য তারা এইরকম পদক্ষেপ নিচ্ছে। কিছু প্রোমোটারি চক্র ও এর সঙ্গে যুক্ত আছে, প্রথম প্রথম আমার জিডি থানায় নেয়নি পুলিশ প্রশাসন আমাকে সাহায্য করেনি, তারপর আমি তাদের মেলে পাঠিয়েছি অভিযোগটি সেই অভিযোগটি দেখে পুলিশ আমাকে অনেক সাপোর্ট করেছে,
এখনো কিছু সমস্যা হচ্ছে, কিছু লোকাল বসতি বসে এই জায়গা ভাগ করে নিবে আমার স্ত্রী ছেলেকে মারামারি করবে, এই জিনিসগুলোই আমি খবর পাচ্ছি। কিছু খারাপ লোকের মধ্যে কিছু ভালো লোক আছে যারা খবরটা আমার কানে দেয়।
আমাকে রাস্তায় থ্রেট করছে, আমার স্ত্রীকে বাজে বাজে কথা বলছে, ফলে আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।গুন্ডারা এসে বলে যাচ্ছে তিনজনের সই না হলে মাল বেরাবে না।, আমার বাবার ব্যবসা আমার নামে আছে। আমি কাকে মাল দেবো আর কাকে দেব না সেটা কি ওদের কথা শুনে চলতে হবে? কেন লোকাল গুন্ডাদের সই লাগবে সেটাই আমি বুঝতে পারছি না। আমরা স্বাধীন ভারতে আছি স্বাধীন নাগরিক ব্যবসা করছি খাচ্ছি।, আমার এই দোকানের উপরে 15-20 টা ফ্যামিলি চলে, সবাই আতঙ্কে আছে। আমাদের ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এর কোন ভূমিকা এখানে দেখতে পাইনি, ওনাকে রাজনৈতিক দল যেভাবে চালনা করে সে সেভাবেই চলে, ওনাকে বলেও ওনার কোন রেসপন্স আমি পাইনি, পুলিশ প্রশাসন বুদ্ধিজীবী মানুষ তাদের কাছে অনুরোধ আপনারা বিবেচনা করে আমাকে শান্তি শৃঙ্খলাতে ব্যবসা করতে দিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *