পিৎজার মধ্যে পোকামাকড় সদৃশ বস্তু! অভিযোগ সাংবাদিকের।।

শিলিগুড়ি, নিজস্ব সংবাদদাতা:- সাংবাদিক চেতন সঞ্জয় পেরা জানান, গত ৭ মে ২০২৬ তিনি শিলিগুড়ির এসএফ রোডের পিৎজা হাট আউটলেটে খাবার খেতে যান। প্রথমে সবকিছু স্বাভাবিক থাকলেও, ৪২৩ টাকার বিল মিটিয়ে খাবার পরিবেশন হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি আউটল জুড়ে অস্বস্তিকর দুর্গন্ধ অনুভব করেন। এতে ওই রেস্তরাঁর স্বাস্থ্যবিধি ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে তাঁর মনে প্রশ্ন তৈরি হয়।অভিযোগ, পিৎজা খাওয়ার সময় তিনি খাবারের মধ্যে পোকামাকড় সদৃশ একটি বস্তু দেখতে পান। ঘটনায় তিনি সঙ্গে সঙ্গে আউটলেট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানান। তবে তাঁর দাবি, উপস্থিত কর্মীদের পক্ষ থেকে সন্তোষজনক কোনও জবাব বা দায়িত্বশীল আচরণ দেখা যায়নি।চেতন সঞ্জয় পেরার আরও অভিযোগ, ওই খাবার খাওয়ার পর তাঁর শারীরিক অসুস্থতাও দেখা দেয়।ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, গ্রাহকেরা কি শুধুমাত্র ব্র্যান্ডের নাম ও বিজ্ঞাপনের জন্য অর্থ ব্যয় করছেন, নাকি নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবারও পাচ্ছেন? তাঁর বক্তব্য, দেশের বড় বড় বহুজাতিক খাদ্য সংস্থাগুলি ভারতীয় গ্রাহকদের কাছ থেকে বিপুল অর্থ উপার্জন করলেও, জনস্বাস্থ্য, খাদ্যের গুণমান ও গ্রাহক নিরাপত্তার বিষয়ে কতটা দায়িত্বশীল, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।তিনি বলেন, বিষয়টি শুধুমাত্র একটি পিৎজা বা একটি আউটলেটের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। প্রতিদিন বহু পরিবার ও শিশু এই ধরনের নামী খাদ্য সংস্থায় যান। সেখানে যদি সঠিক স্বাস্থ্যবিধি বজায় না থাকে, তবে তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।শিলিগুড়ির বড় বড় খাদ্য বিক্রয় কেন্দ্রগুলির স্বাস্থ্যবিধি ও খাদ্যের মান নিয়ে সঠিক তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, ঘটনার সঙ্গে যুক্ত বিল, ছবি ও অন্যান্য তথ্যপ্রমাণ ভবিষ্যতের রিপোর্টিং ও স্বচ্ছতার স্বার্থে সংরক্ষণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।চেতন সঞ্জয় পেরা বলেন, “খাদ্য সরাসরি জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে যুক্ত। তাই কোনও রকম গাফিলতি মেনে নেওয়া যায় না।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *