🛒 উপকরণ
বোয়াল মাছ – ৮০০ গ্রাম
আলু – ২টি (চৌকো করে কাটা)
পেঁয়াজ বাটা – ৪ চামচ
টমেটো – ২টি
আদা বাটা – ১½ চামচ
রসুন বাটা – ১½ চামচ
জিরা বাটা – ১ চামচ
ধনে বাটা – ১ চামচ
হলুদ গুঁড়ো – ১ চামচ
লাল লঙ্কা গুঁড়ো – ১½ চামচ
কাঁচালঙ্কা – ৫–৬টি
তেজপাতা – ২টি
গরম মসলা – ১ চামচ
ধনেপাতা কুচি – সামান্য
সর্ষের তেল – ৮ চামচ
লবণ – স্বাদমতো
গরম জল – প্রয়োজনমতো
👩🍳 বিস্তারিত প্রণালী
প্রথমে বোয়াল মাছ ভালোভাবে পরিষ্কার করে বড় টুকরো করে কেটে নিন। বোয়াল মাছের চামড়া ও গায়ে অনেকটা তেলতেলে ভাব থাকে, তাই পরিষ্কার করার সময় লেবুর রস বা সামান্য ময়দা ঘষে ধুয়ে নিলে গন্ধ কমে যায়।
এরপর মাছ ধুয়ে জল ঝরিয়ে একটি বড় পাত্রে নিন। মাছের উপর হলুদ ও লবণ মাখিয়ে অন্তত ২০ মিনিট রেখে দিন। এতে মাছের কাঁচা গন্ধ দূর হবে এবং ভাজার সময় সুন্দর রং আসবে।
এখন একটি বড় কড়াইয়ে সর্ষের তেল গরম করুন। তেল ধোঁয়া ওঠা পর্যন্ত গরম করে আঁচ মাঝারি করুন। মাছের টুকরোগুলো সাবধানে তেলে ছেড়ে দিন।
বোয়াল মাছ নরম হওয়ায় খুব বেশি নাড়াচাড়া করা যাবে না। প্রতিটি পাশ ৩–৪ মিনিট করে ভেজে নিন। মাছের বাইরের অংশ হালকা সোনালি হলেই তুলে রাখুন।
একই তেলে আলুর টুকরোগুলো ভেজে নিন। আলু অল্প বাদামি হলে তুলে রাখুন।
এবার কড়াইয়ে তেজপাতা ফোড়ন দিন। এরপর পেঁয়াজ বাটা দিয়ে মাঝারি আঁচে ধীরে ধীরে কষাতে থাকুন। পেঁয়াজের রং বাদামি হতে শুরু করলে আদা ও রসুন বাটা মিশিয়ে দিন।
এরপর জিরা বাটা, ধনে বাটা, হলুদ ও লাল লঙ্কা গুঁড়ো সামান্য গরম জল মিশিয়ে কড়াইয়ে ঢালুন। মশলা খুব ভালোভাবে কষাতে হবে যতক্ষণ না তেল আলাদা হয়ে আসে।
এখন টমেটো কুচি দিয়ে দিন। টমেটো নরম হয়ে মিশে গেলে ভাজা আলু যোগ করুন। সবকিছু ভালোভাবে নেড়ে কয়েক মিনিট রান্না করুন।
এরপর প্রয়োজনমতো গরম জল দিন। ঝোল ফুটে উঠলে মাছের টুকরোগুলো সাবধানে দিয়ে দিন। ওপরে চেরা কাঁচালঙ্কা ছড়িয়ে দিন।
ঢেকে মাঝারি আঁচে ১২–১৫ মিনিট রান্না করুন। মাছের সঙ্গে মশলার স্বাদ ধীরে ধীরে মিশে ঘন ও সুগন্ধি ঝোল তৈরি হবে।
রান্নার সময় চামচ দিয়ে বেশি নাড়বেন না। কড়াই আলতোভাবে ঝাঁকিয়ে ঝোল মিশিয়ে নিতে পারেন।
ঝোল একটু ঘন হয়ে এলে ওপরে গরম মসলা ও ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে দিন। আরও সুন্দর গন্ধের জন্য শেষে এক চামচ কাঁচা সর্ষের তেল দিতে পারেন।
চুলা বন্ধ করে ৫ মিনিট ঢাকা দিয়ে রাখুন। এতে মশলার সুগন্ধ মাছের মধ্যে আরও ভালোভাবে বসে যাবে।
🍽️ পরিবেশন
গরম সাদা ভাতের সঙ্গে বোয়াল মাছের কারি পরিবেশন করুন। এই মাছের ঝোল একটু ঘন ও মশলাদার হলে সবচেয়ে ভালো লাগে। বর্ষার দিনে বা বিশেষ পারিবারিক দুপুরের খাবারে এটি অসাধারণ জনপ্রিয় একটি পদ।












Leave a Reply