বাটানগর ফুটবল মাঠে ১০ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠ, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় প্রথম বৃহৎ আয়োজন।

দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, নিজস্ব সংবাদদাতা:- সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মূল শক্তিই হল শ্রীমদ ভাগবত গীতার অমৃতবাণী। যা ভারতবর্ষকে উদারতা, মানবিকতা ও সংস্কৃতির পথ দেখিয়েছে।
তাই আগামী ২৩শে আগস্ট, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় বাটানগর ফুটবল মাঠে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে দশ হাজার কণ্ঠের গীতা পাঠ। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় এই প্রথম আয়োজিত অনুষ্ঠানটির *পরিচালনায় সনাতন সংস্কৃতি সংসদ, পশ্চিমবঙ্গ। ব্যবস্থাপনায় মহেশতলা হ্যান্ডিক্যাপ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন এবং সার্বিক সহযোগিতায় বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, বাটানগর মহেশতলা প্রখণ্ড।*

“এই ১০,০০০ কণ্ঠে গীতা পাঠের মূল উদ্দেশ্য কোনো রাজনৈতিক বা বিভেদ সৃষ্টির জন্য নয়। আমাদের উদ্দেশ্য হলো শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার মানবিক মূল্যবোধ—সত্য, ন্যায়, কর্তব্য, আত্মশুদ্ধি, সহনশীলতা ও শান্তির বার্তা সমাজের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। আজকের সমাজে নৈতিক মূল্যবোধের চর্চা অত্যন্ত প্রয়োজন। এই অনুষ্ঠান সকলের জন্য উন্মুক্ত এবং সকলকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছেন আয়োজক সংস্থার পক্ষে আহবায়ক সুমন ভট্টাচার্য্য।

কেন এই অনুষ্ঠান?
“বর্তমান সময়ে সমাজে নৈতিকতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও মানবিক মূল্যবোধকে আরও শক্তিশালী করা জরুরি। গীতা সেই চিরন্তন শিক্ষাই দেয়। তাই এই আয়োজন করেছি।” জানালেন আয়োজক পক্ষে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের মহেশতলা প্রখণ্ডের সম্পাদক অমর ঘোষ।

গীতা পাঠের মাধ্যমে দেশের ও দশের উন্নতির লক্ষ্যই মূল উদ্দেশ্য জানালেন এই অনুষ্টানের
সভাপতি স্বামী প্রদীপ্তানন্দ মহারাজ(*কার্তিক মহারাজ*)
রাজ্য ও জেলা জুড়ে ব্যাপকভাবে সফলতা আশা করেছেন
কার্যকরী সম্পাদক স্বামী নির্গুণানন্দ মহারাজ।

এ দিনের সাংবাদিক বৈঠকে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মধ্যে বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী , স্বামী সর্বানন্দ, বন্ধু গৌরব মহারাজ এবং জগদ্ধাত্রীয়া দাস প্রভু সহ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং বিশিষ্ট গুণীজন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *