পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুকে ঐতিহ্য প্রাচীন ইতিহাস বিজড়িত বর্গভীমা মায়ের মন্দিরে সকাল দেখা গেল বিপত্তারিণী পুজো উপলক্ষে ভক্তদের আনাগোনা।

পূর্ব মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- কথিত আছে বিপদ থেকে উদ্ধার পাওয়ার জন্য এই দেবীর পুজো করা হয়ে থাকে। লাল সুতোর ধাগা পুরুষদের ডান এবং মহিলাদের বাম হাতে ধারণ করা এই পুজোর নিয়ম। বিপত্তারিণী ব্রত সাধারাণত মহিলাদের ব্রত। এই ব্রত কমপক্ষে ৩ বছর পালন করা হয়ে থাকে। বিভিন্ন জায়গার পাশাপাশি পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুকে ঐতিহ্য প্রাচীন ইতিহাস বিজড়িত বর্গভীমা মায়ের মন্দিরে সকাল দেখা গেল বিপত্তারিণী পুজো উপলক্ষে ভক্তদের আনাগোনা। ১৩ রকম ফুল, ১৩ রকম ফল, ১৩টি পান, ১৩টি সুপারি এবং ১৩ গাছা লাল সুতোতে ১৩ গাছা দূর্বা দিয়ে ১৩টি গিঁট বেঁধে ধাগা তৈরি করতে হয়। ব্রাহ্মণ দ্বারা আম্রপল্লব-সহ ঘট স্থাপন করে নাম গোত্র সহযোগে পুজা দেয় বাঙালি মেয়েরা। পুজোর পরে শোনা হয় বিপত্তারিণীর ব্রতকথা। যা এই পুজোর অন্যতম অঙ্গ। আজ মন্দিরে এই বিপত্তারিণী পূজা উপলক্ষে রাজ্যের বিভিন্ন জেলার মানুষেরা পুজো দিতে আসেন এই মন্দিরে, মন্দিরে ব্যাপক পরিমাণে ভিড় হওয়ায় ভক্তদের সুরক্ষা দিতে তমলুক থানার পক্ষ থেকে বাড়ানো হয়েছে পুলিশের নজর দারি, যাতে ভক্তরা সোনার গহনা ও টাকা পয়সা নিজের দায়িত্বে রাখে সেই কারণে বারবার তমলুক থানার পক্ষ থেকে মাইকিং করে সতর্ক করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *