নিজস্ব সংবাদদাতা, চন্দ্রকোনা রোড :- উন্নয়নের জন্য সবসময় কোনো বিশেষ উন্নয়ন সংক্রান্ত আধিকারিক বা বিশালাকার ফান্ডের প্রয়োজন হয় না, আন্তরিক “ইচ্ছা থাকলে যে উপায় হয়”— তা আরও একবার হাতে-কলমে প্রমাণ করে দেখাল পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা তিন নম্বর ব্লকের চন্দ্রকোনা রোড বালিকা বিদ্যালয়। উপযুক্ত পরিকাঠামো এবং সচেতনতার অভাবে একটা সময় যেখানে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর পঠন-পাঠন প্রায় বন্ধের মুখে ছিল, আজ সেখানেই বইছে পরিবর্তনের হাওয়া।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সদিচ্ছা ও শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রমে বদলে গেছে সম্পূর্ণ চিত্রটি। ছাত্রীদের স্কুলমুখী করতে এবং উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তি বাড়াতে শিক্ষকেরা নিয়মিত বাড়ি বাড়ি গিয়ে নিবিড় জনসংযোগ গড়ে তোলেন। অভিভাবকদের বোঝানোর এই আন্তরিক প্রচেষ্টার সুফলও মিলেছে হাতেনাতে। গত বছর যেখানে একাদশ শ্রেণীতে মাত্র ৩ জন ছাত্রী ভর্তি হয়েছিল, সেখানে চলতি শিক্ষাবর্ষে বিজ্ঞান বিভাগে ১২ জন এবং কলা বিভাগে ২৫ জনসহ মোট ৩৭ জন নতুন ছাত্রী ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে ৬৮০ জন পড়ুয়ার এই বিদ্যালয়ে এই সাফল্য শিক্ষকদের উদ্দীপনা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
ছাত্রী সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে বিজ্ঞান শিক্ষার জন্য ল্যাবরেটরির প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছিল। সেই চাহিদা পূরণ করে আজ বিদ্যালয়ে পথ চলা শুরু করল আধুনিক প্র্যাকটিক্যাল ল্যাবের। শালবনী বিধানসভার বিধায়ক বিমান মাহাতো ফিতে কেটে এই ল্যাবের শুভ উদ্বোধন করেন। নতুন ল্যাব পেয়ে খুশি ছাত্রীরাও। সদিচ্ছার জোরে গড়ে ওঠা এই পরিকাঠামো গ্রামীণ নারী শিক্ষায় এক নয়া দৃষ্টান্ত স্থাপন করল।












Leave a Reply